সৌদি তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে ইরান: প্রিন্স খালিদ
jugantor
সৌদি তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে ইরান: প্রিন্স খালিদ

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:২৮:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে ইরান: প্রিন্স খালিদ

লন্ডনে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ বিন বন্দর বিন সুলতান আল সৌদি বলেছেন, সৌদি আরবের তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে অনেকটা নিশ্চিত ইরান রয়েছে।

বিবিসিকে তিনি বলেন, অনেকটা নিশ্চিতভাবে এটা ইরান সমর্থিত হামলা। আমরা খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া না জানাতে চেষ্টা করছি। কারণ সর্বশেষ যে বিষয়টি আমাদের দরকার তা হচ্ছে- এ অঞ্চলে আরও বড় সংঘাত।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। কী ঘটেছে, তার সমাধান বের করতে আমাদের অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কাজ করছি। এ ছাড়া যারা যুক্ত হতে চায়, তাদের সঙ্গেও কাজ করব।

কী ঘটেছিল, কোত্থেকে হামলা হয়েছিল, তা বের করার চেষ্টাও চলছে বলে তিনি জানান।

এদিকে সৌদি আরবে সফরের বিষয়ে নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নিজেদের ওয়েবসাইটে এই ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মিশনপ্রধানের অনুমতি ছাড়া মার্কিন মিশনের কর্মকর্তারা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা আবহা বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও এতে জানানো হয়েছে।

ইয়েমেন থেকে প্রায়ই ক্ষেপণাস্ত্র ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরবের এ বিমানবন্দরটি।

ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে মার্কিন সমর্থিত সৌদি জোটের ধ্বংসযজ্ঞের জবাবে রিয়াদের তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলা সম্ভাব্য বড় যুদ্ধের জন্য সতর্কতামূলক।

বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি বলেন, ইয়েমেনিরা কোনো হাসপাতালে হামলা করেনি, স্কুলে হামলা চালায়নি, সানার কোনো বাজারে হামলা করেনি। তারা কেবল একটি শিল্পকারখানার কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে-আপনাকে সতর্ক করতে।

কোটি কোটি ডলারের মার্কিন অস্ত্র কেনা সৌদি শাসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ওই সতর্কতামূলক হামলা থেকে শিক্ষা নিন। ভেবে দেখুন, এ অঞ্চলে একটি যুদ্ধ হতে পারে।

সৌদি তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে ইরান: প্রিন্স খালিদ

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৌদি তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে ইরান: প্রিন্স খালিদ
ছবি: সংগৃহীত

লন্ডনে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ বিন বন্দর বিন সুলতান আল সৌদি বলেছেন, সৌদি আরবের তেল স্থাপনার হামলার নেপথ্যে অনেকটা নিশ্চিত ইরান রয়েছে।

বিবিসিকে তিনি বলেন, অনেকটা নিশ্চিতভাবে এটা ইরান সমর্থিত হামলা। আমরা খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া না জানাতে চেষ্টা করছি। কারণ সর্বশেষ যে বিষয়টি আমাদের দরকার তা হচ্ছে- এ অঞ্চলে আরও বড় সংঘাত।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। কী ঘটেছে, তার সমাধান বের করতে আমাদের অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কাজ করছি। এ ছাড়া যারা যুক্ত হতে চায়, তাদের সঙ্গেও কাজ করব।

কী ঘটেছিল, কোত্থেকে হামলা হয়েছিল, তা বের করার চেষ্টাও চলছে বলে তিনি জানান।

এদিকে সৌদি আরবে সফরের বিষয়ে নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নিজেদের ওয়েবসাইটে এই ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মিশনপ্রধানের অনুমতি ছাড়া মার্কিন মিশনের কর্মকর্তারা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা আবহা বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও এতে জানানো হয়েছে।

ইয়েমেন থেকে প্রায়ই ক্ষেপণাস্ত্র ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরবের এ বিমানবন্দরটি।

ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে মার্কিন সমর্থিত সৌদি জোটের ধ্বংসযজ্ঞের জবাবে রিয়াদের তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলা সম্ভাব্য বড় যুদ্ধের জন্য সতর্কতামূলক।

বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি বলেন, ইয়েমেনিরা কোনো হাসপাতালে হামলা করেনি, স্কুলে হামলা চালায়নি, সানার কোনো বাজারে হামলা করেনি। তারা কেবল একটি শিল্পকারখানার কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে-আপনাকে সতর্ক করতে।

কোটি কোটি ডলারের মার্কিন অস্ত্র কেনা সৌদি শাসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ওই সতর্কতামূলক হামলা থেকে শিক্ষা নিন। ভেবে দেখুন, এ অঞ্চলে একটি যুদ্ধ হতে পারে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা