ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক
jugantor
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৯:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহদির সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করেছেন সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমান। দেশটির দুটি তেল স্থাপনায় গত সপ্তাহের ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষাপটে বুধবার এ বৈঠকে বসেন তারা।

সৌদি সংবাদ সংস্থাকে এক কর্মকর্তা বলেন, আরমাকো তেল স্থাপনায় হামলাসহ আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে বৈঠকে তারা আলোচনা করেন। সৌদি আরবের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপর বৈঠকে জোর দেয়া হয়।

গত ১৪ সেপ্টেম্বরের ওই হামলায় সৌদি তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছিল। বিশ্ববাজারে তেলের দামও আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েই চলছে।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলার দায় স্বীকার করলেও সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানই ওই হামলা চালিয়েছে। তারা এটিকে যুদ্ধের শামিল বলে আখ্যায়িত করেছে।

বাগদাদ এতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আটকে পড়েছে। এ হামলার সঙ্গে সব ধরনের যোগসাজশ অস্বীকার করেছে ইরাক। ইরানও হামলার দায় অস্বীকার করে আসছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইরাক থেকে হামলা চালানোর কোনো তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে নেই।

কয়েক দশকের সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর সৌদি-ইরাকের মধ্যে উষ্ণতা ফিরতে শুরু করেছে। আরমাকো হামলার ঘটনায় রিয়াদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে বাগদাদ।

ইরাকি তেলমন্ত্রী থামের আল-ঘাদবান সৌদি আরবে তার সমকক্ষ যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহদির সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করেছেন সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমান। দেশটির দুটি তেল স্থাপনায় গত সপ্তাহের ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষাপটে বুধবার এ বৈঠকে বসেন তারা।

সৌদি সংবাদ সংস্থাকে এক কর্মকর্তা বলেন, আরমাকো তেল স্থাপনায় হামলাসহ আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে বৈঠকে তারা আলোচনা করেন। সৌদি আরবের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপর বৈঠকে জোর দেয়া হয়।

গত ১৪ সেপ্টেম্বরের ওই হামলায় সৌদি তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছিল। বিশ্ববাজারে তেলের দামও আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েই চলছে।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলার দায় স্বীকার করলেও সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানই ওই হামলা চালিয়েছে। তারা এটিকে যুদ্ধের শামিল বলে আখ্যায়িত করেছে।

বাগদাদ এতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আটকে পড়েছে। এ হামলার সঙ্গে সব ধরনের যোগসাজশ অস্বীকার করেছে ইরাক। ইরানও হামলার দায় অস্বীকার করে আসছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইরাক থেকে হামলা চালানোর কোনো তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে নেই।

কয়েক দশকের সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর সৌদি-ইরাকের মধ্যে উষ্ণতা ফিরতে শুরু করেছে। আরমাকো হামলার ঘটনায় রিয়াদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে বাগদাদ।

ইরাকি তেলমন্ত্রী থামের আল-ঘাদবান সৌদি আরবে তার সমকক্ষ যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা