শিশুর পাশে শুয়ে আছে অশরীরী আত্মা!

  অনলাইন ডেস্ক ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ

শিশুর পাশে শুয়ে আছে অশরীরী আত্মা

বিছানায় ঘুমুচ্ছে ছোট্ট শিশু। তার পাশে শুয়ে আছে আরেকটি অশরীরী শিশু। মাঝ রাতে তা দেখেই বিচলিত হয়ে ওঠেন মা। আর মা তো মা-ই। ছেলেকে রক্ষায় সারা রাত জেগে শিশুটির বিছানার বসে থাকেন তিনি।

আর এ ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইল্লিনোইস অঞ্চলে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ইল্লিনোইস অঞ্চলের বাসিন্দা মার্তিজা সিবালস। রাতে শুতে যাওয়ার আগে আঠেরো মাসের ছেলে ঠিকমতো ঘুমোচ্ছে কিনা দেখতে তার ঘরে ঢুকেছিলেন।

আচমকাই তিনি দেখেন, বেবিকটে ছেলের পাশে শুয়ে ভূত! যদিও সেও নিতান্তই শিশু। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তিনি। ভয়ের চোটে সারারাত জেগেই কাটান তিনি। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে তিনি

মার্তিজা আরও জানান, ভয়ে সারা রাত কুঁকড়ে ছেলের ঘরে ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালিয়ে বসে থেকেছি। একবারের জন্যেও নড়িনি। প্রথমে যদিও গোটা ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য ঠেকেছিল। মনে হয়েছিল, ভুল দেখছি। কিন্তু বারেবারে চোখ কচলেও দেখি ওই অশরীরী শিশু শুয়ে ছেলের পাশে। তখন আর সামলাতে পারিনি নিজেকে। সারারাত ভয়ে কেঁপেছি। আর মনে মনে বলেছি, ভুত বলে কিচ্ছু নেই। নিশ্চয়ই এর কোনো ব্যাখ্যা আছে।

তারপরেই সেই ছবি তুলে মার্তিজা ফেসবুকে দেন। ছবিটি শেয়ার হয়েছে ২.৯ লক্ষ বার। রি-অ্যাকশনের সংখ্যা ৫ লাখ।

কিন্তু পরের দিন সকাল হতেই সব কিছু পরিষ্কার হয়ে যায় মার্তিজার কাছে। ছেলের খাটের দিকে তাকিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, ঘোস্ট বেবি বা অশরীরী শিশু ওই খাটের ম্যাট্রেসের ডিজাইন। স্বামী কোরে আগের রাতে ম্যাট্রেসের ওপর চাদর বা প্রোটেকটর দিতে ভুলে যাওয়ায় ওই কাণ্ড ঘটেছে।

পুরো ঘটনা জানার পর মুখে হাসি ফুটেছে মার্তিজার মুখে। তবে তার মধ্যেই তিনি বলেছেন, শিশু হোক বা বড় হোক, মেরেই ফেলতাম অশরীরীকে। যদি ছেলের কোনো ক্ষতি করত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×