জাপানি এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চীনের আদালত
jugantor
জাপানি এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চীনের আদালত

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০৮:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

জাপানি এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চীনের আদালত

জাপানের সাবেক এক সংসদ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চীনের একটি আদালত।

চীনে মাদক পাচারের মামলায় অভিযুক্ত ওই জাপানি এমপিকে অবশেষে দণ্ড দেয়া হলো।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সাবেক জাপানি সংসদ সদস্যের নাম তাকুমান সাকুরাগি। তিনি জাপানের মধ্যাঞ্চলের আইছি অঞ্চল থেকে নির্বাচিত দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (৮ নভেম্বর) চীনে মাদক পাচারের অভিযোগে ৭৬ বছর বয়সী তাকুমানকে দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন গুয়াংঝুর প্রাদেশিক আদালত। গত ছয় বছর ধরে এ মামলাটি চলছিল।

২০১৪ সালে মামলার শুনানি শেষ হলেও আইনি জটিলতায় পড়ে সে সময় রায় দেয়া যায়নি।

স্ক্যাম্প নিউজ জানিয়েছে, ২০১৩ সালে চীনের গুয়াংঝু প্রদেশের বেইয়ান বিমানবন্দর থেকে আটক হন জাপানের ওই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। সেদিন তার লাগেজ তল্লাশি করে প্রায় তিন কেজি তিনশ গ্রাম মেথামফেটামিন নামক মাদক জব্দ করা হয়।

মামলার শুরু থেকেই মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করে আসছেন তাকুমান সাকুরাগি। তিনি বলছেন, তার লাগেজে পাওয়া সেসব মাদক তার ছিল না, তাকে কেউ ফাঁসিয়েছেন।

তবে এমন দাবি করলেও আদালতে এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। অবশেষে পাঁচ বছর ঝুলে থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেন এই সাবেক জাপানি এমপি।

উল্লেখ্য, চীনে আইন অনুযায়ী ৭৫ বছরের বেশি বয়স্কদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় না। তবুও এ দণ্ডে দণ্ডিত হতে হলো সাকুরাগিকে। কারণ চীনে মেথামফেটিন বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই মাদকের ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম ঘটল।

প্রসঙ্গত মেথামফেটিন একটি স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজক ওষুধ। এটি খুব বেশি মাত্রায় নেশা উদ্রেক করে। এ রাসায়নিককে স্নায়ুবিষ বলে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। এটি ব্যবহারে অলীক সব কল্পনায় ভুগতে থাকে ব্যবহারকারী। চিন্তাশক্তি লোপ পায়।

জাপানি এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চীনের আদালত

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জাপানি এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চীনের আদালত
তাকুমান সাকুরাগি

জাপানের সাবেক এক সংসদ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চীনের একটি আদালত।

চীনে মাদক পাচারের মামলায় অভিযুক্ত ওই জাপানি এমপিকে অবশেষে দণ্ড দেয়া হলো।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সাবেক জাপানি সংসদ সদস্যের নাম তাকুমান সাকুরাগি। তিনি জাপানের মধ্যাঞ্চলের আইছি অঞ্চল থেকে নির্বাচিত দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (৮ নভেম্বর) চীনে মাদক পাচারের অভিযোগে ৭৬ বছর বয়সী তাকুমানকে দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন গুয়াংঝুর প্রাদেশিক আদালত।  গত ছয় বছর ধরে এ মামলাটি চলছিল।

২০১৪ সালে মামলার শুনানি শেষ হলেও আইনি জটিলতায় পড়ে সে সময় রায় দেয়া যায়নি।  

স্ক্যাম্প নিউজ জানিয়েছে, ২০১৩ সালে চীনের গুয়াংঝু প্রদেশের বেইয়ান বিমানবন্দর থেকে আটক হন জাপানের ওই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। সেদিন তার লাগেজ তল্লাশি করে প্রায় তিন কেজি তিনশ গ্রাম মেথামফেটামিন নামক মাদক জব্দ করা হয়।

মামলার শুরু থেকেই মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করে আসছেন তাকুমান সাকুরাগি। তিনি বলছেন, তার লাগেজে পাওয়া সেসব মাদক তার ছিল না, তাকে কেউ ফাঁসিয়েছেন।  

তবে এমন দাবি করলেও আদালতে এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। অবশেষে পাঁচ বছর ঝুলে থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেন এই সাবেক জাপানি এমপি।

উল্লেখ্য, চীনে আইন অনুযায়ী ৭৫ বছরের বেশি বয়স্কদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় না। তবুও এ দণ্ডে দণ্ডিত হতে হলো সাকুরাগিকে। কারণ চীনে মেথামফেটিন বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।  তাই মাদকের ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম ঘটল।

প্রসঙ্গত মেথামফেটিন একটি স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজক ওষুধ। এটি খুব বেশি মাত্রায় নেশা উদ্রেক করে। এ রাসায়নিককে স্নায়ুবিষ বলে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।  এটি ব্যবহারে অলীক সব কল্পনায় ভুগতে থাকে ব্যবহারকারী।  চিন্তাশক্তি লোপ পায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন