জিম্বাবুয়েতে তীব্র খরা, ২০০ হাতির মৃত্যু

  যুগান্তর ডেস্ক ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:১৫:৪৪ | অনলাইন সংস্করণ

জিম্বাবুয়েতে তীব্র খরায় ২০০ হাতির মৃত্যু। ছবি সংগৃহীত

জিম্বাবুয়েতে তীব্র খরায় গত সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ন্যাশনাল পার্কের অন্তত ২০০ হাতির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, তীব্র খরায় জিম্বাবুয়ের হোয়াঙ্গে ন্যাশনাল পার্কের অন্তত ২০০ হাতির মৃত্যু হয়েছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, দেশটির অন্য পার্কেও খরার কারণে জিরাফ, মহিষ ও হরিণসহ অন্য অনেক প্রাণী মারা যাচ্ছে।

জিম্বাবুয়ে পার্ক ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র তানাশে ফারাও বলেন, বৃষ্টি না হলে এ অবস্থার উন্নতি সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, তীব্র খরায় প্রায় সব প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েক প্রজাতির পাখিও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।

খাবার ও পানির খোঁজে অনেক প্রাণী লোকালয়ে চলে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাবার ও পানির খোঁজে অনেক প্রাণী লোকালয়ে চলে যায়। এ কারণে অনেক সময় দেখা যায় স্থানীয়দের আক্রমণ করে। তখন আত্মরক্ষার্থে স্থানীয়রা পাল্টা আক্রমণ করে। এভাবে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩৩ জন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে।

খরায় খাদ্যশস্যেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি মানুষের খাদ্য সহায়তা দরকার।

জানা গেছে, ৬০০ হাতি, দুই প্রজাতির সিংহ ও অন্য কয়েকটি প্রাণীকে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সেভ ভ্যালি কনজারভেন্সি থেকে কমসংখ্যক প্রাণী আছে এমন পার্কে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

একদল বন্য কুকুর, ৫০টি মহিষ, ৪০টি জিরাফ এবং দুই হাজার হরিণকেও অন্য জায়গায় নেয়া হবে। জিম্বাবুয়েতে আনুমানিক ৮৫ হাজার হাতি রয়েছে, যা সংখ্যার দিক থেকে প্রতিবেশী দেশ বতসোয়ানার পর দ্বিতীয় বৃহত্তম।

বর্তমানে প্রাণীগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে ৪০ মিলিয়ন ডলার দরকার, কিন্তু তার মাত্র অর্ধেক জোগাড় হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি কোনো বরাদ্দও নেই।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত