শিখ-কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, কাঠগড়ায় ভারতীয় দম্পতি
jugantor
শিখ-কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, কাঠগড়ায় ভারতীয় দম্পতি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ নভেম্বর ২০১৯, ০০:৪৩:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

শিখ-কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, কাঠগড়ায় ভারতীয় দম্পতি
ফাইল ছবি

জার্মানিতে কাশ্মীরি ও শিখ সম্প্রদায়ের ওপর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ভারতীয় দম্পতিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

গত মার্চে ৫০ বছর বয়সী মনমোহন এস. ও তার স্ত্রী ৫১ বছর বয়সী কানওয়াল জিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এ দম্পতির বিরুদ্ধে জার্মানির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ফ্রাংকফুটের একটি আদালতে তাদের বিচার চলছে।

জার্মানির শিখ সম্প্রদায়, কাশ্মীরি ও তাদের স্বজনদের নিয়ে তথ্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা র-এর এক কর্মকর্তাকে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন মনেমোহন এস.।

চলতি বছরের শুরুতে এক কৌসুঁলি এমন তথ্য জানিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে মাসিক বৈঠকে তার স্ত্রীও যোগ দিয়েছিলেন। বিনিময়ে এই দম্পতিকে ৭২ হাজার ইউরো দেয়া হয়েছে।

ধর্মীয় অধিকার বিষয়ক গোষ্ঠী আরইএমআইডির দেয়া তথ্যানুসারে, জার্মানিতে শিখদের সংখ্যা দশ থেকে বিশ হাজারের মধ্যে হবে। ব্রিটেন ও ইতালির পরে ইউরোপে এটাই তাদের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

শিখ-কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, কাঠগড়ায় ভারতীয় দম্পতি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিখ-কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, কাঠগড়ায় ভারতীয় দম্পতি
ফাইল ছবি

জার্মানিতে কাশ্মীরি ও শিখ সম্প্রদায়ের ওপর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ভারতীয় দম্পতিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

গত মার্চে ৫০ বছর বয়সী মনমোহন এস. ও তার স্ত্রী ৫১ বছর বয়সী কানওয়াল জিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এ দম্পতির বিরুদ্ধে জার্মানির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ফ্রাংকফুটের একটি আদালতে তাদের বিচার চলছে।

জার্মানির শিখ সম্প্রদায়, কাশ্মীরি ও তাদের স্বজনদের নিয়ে তথ্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা র-এর এক কর্মকর্তাকে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন মনেমোহন এস.।

চলতি বছরের শুরুতে এক কৌসুঁলি এমন তথ্য জানিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে মাসিক বৈঠকে তার স্ত্রীও যোগ দিয়েছিলেন। বিনিময়ে এই দম্পতিকে ৭২ হাজার ইউরো দেয়া হয়েছে।

ধর্মীয় অধিকার বিষয়ক গোষ্ঠী আরইএমআইডির দেয়া তথ্যানুসারে, জার্মানিতে শিখদের সংখ্যা দশ থেকে বিশ হাজারের মধ্যে হবে। ব্রিটেন ও ইতালির পরে ইউরোপে এটাই তাদের সর্বোচ্চ সংখ্যা।