ট্রাম্প-এরদোগানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ম্যাক্রন
jugantor
ট্রাম্প-এরদোগানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ম্যাক্রন

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:৩১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্প-এরদোগানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ম্যাক্রন
ছবি: এএফপি

লন্ডনে ন্যাটো জোটের সম্মেলনের উদ্বোধনীতে অনৈক্যের বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন দাবি করেন, আইএস প্রতিনিধিদের সঙ্গে আঁতাত করছে তুরস্ক। 

ন্যাটোর মগজ অকেজো হয়ে পড়েছে বলে যে তাচ্ছিল্য ম্যাক্রন করেছেন, তা খুবই নোংরা।

এদিকে সীমান্তের কুর্দিশ যোদ্ধাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলে স্বীকৃতি না দিলে বাল্টিক দেশগুলোকে রক্ষার পরিকল্পনা আটকে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। ম্যাক্রন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তার এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে।

কর্তব্যবিমুখ ন্যাটো দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা খরচ বাড়ানোর যে দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, এবারও তা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।

যদি তারা সেটি করতে রাজি না হয়, তবে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এতে ঠাণ্ডা যুদ্ধপরবর্তী ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক মতভিন্নতারই প্রতিফলন ঘটেছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনের তথ্যফাঁস হওয়ার পর অনৈক্যের বিষয়টি আরও সামনে চলে আসে।

গত মঙ্গলবার এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ট্রাম্পের দীর্ঘ মিডিয়া ব্রিফিং নিয়ে বাকিংহ্যাম প্রাসাদের অভ্যর্থনায় মশকরা করছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সম্মেলনের আয়োজক বরিস জনসন, কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

বরিস জনসনকে খুব একটা ফলাও করে সামনে আসতে দেখা যায়নি। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার সংকট ঘিরে ইউরোপীয়-তুর্কিশদের একটি ঐকমত্যের জায়গায় নিয়ে আসতে ডাউনিং স্ট্রিটে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন তিনি।

অক্টোবরে কুর্দিশ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে তুর্কি অভিযানে বাকি ন্যাটো দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই সামরিক জোটটির মগজ অকেজো হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যাক্রন। ওই অভিযানে কয়েক হাজার কুর্দি বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

তবে এ বিষয়ে কেবল ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেছে তুরস্ক। মিত্র দেশটিকে তিনি সবুজ সংকেতও দিয়েছিলেন। এ নিয়ে নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার কবলে পড়তে হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার ম্যাক্রন হুশিয়ারি করে বলেছেন, তুরস্কের ওই অভিযানের কারণে আইএস ফিরে আসছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করা কুর্দিশ যোদ্ধারা ওই অভিযানে দুর্বল হয়ে পড়েছেন।

এই অভিযোগে তুরস্ককে আইএসের ছায়াশক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এই ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধরনের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ন্যাটোকে তিনি সমর্থন জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

ট্রাম্প-এরদোগানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ম্যাক্রন

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রাম্প-এরদোগানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ম্যাক্রন
ছবি: এএফপি

লন্ডনে ন্যাটো জোটের সম্মেলনের উদ্বোধনীতে অনৈক্যের বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন দাবি করেন, আইএস প্রতিনিধিদের সঙ্গে আঁতাত করছে তুরস্ক।

ন্যাটোর মগজ অকেজো হয়ে পড়েছে বলে যে তাচ্ছিল্য ম্যাক্রন করেছেন, তা খুবই নোংরা।

এদিকে সীমান্তের কুর্দিশ যোদ্ধাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলে স্বীকৃতি না দিলে বাল্টিক দেশগুলোকে রক্ষার পরিকল্পনা আটকে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। ম্যাক্রন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তার এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে।

কর্তব্যবিমুখ ন্যাটো দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা খরচ বাড়ানোর যে দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, এবারও তা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।

যদি তারা সেটি করতে রাজি না হয়, তবে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এতে ঠাণ্ডা যুদ্ধপরবর্তী ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক মতভিন্নতারই প্রতিফলন ঘটেছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনের তথ্যফাঁস হওয়ার পর অনৈক্যের বিষয়টি আরও সামনে চলে আসে।

গত মঙ্গলবার এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ট্রাম্পের দীর্ঘ মিডিয়া ব্রিফিং নিয়ে বাকিংহ্যাম প্রাসাদের অভ্যর্থনায় মশকরা করছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সম্মেলনের আয়োজক বরিস জনসন, কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

বরিস জনসনকে খুব একটা ফলাও করে সামনে আসতে দেখা যায়নি। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার সংকট ঘিরে ইউরোপীয়-তুর্কিশদের একটি ঐকমত্যের জায়গায় নিয়ে আসতে ডাউনিং স্ট্রিটে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন তিনি।

অক্টোবরে কুর্দিশ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে তুর্কি অভিযানে বাকি ন্যাটো দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই সামরিক জোটটির মগজ অকেজো হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যাক্রন। ওই অভিযানে কয়েক হাজার কুর্দি বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

তবে এ বিষয়ে কেবল ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেছে তুরস্ক। মিত্র দেশটিকে তিনি সবুজ সংকেতও দিয়েছিলেন। এ নিয়ে নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার কবলে পড়তে হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার ম্যাক্রন হুশিয়ারি করে বলেছেন, তুরস্কের ওই অভিযানের কারণে আইএস ফিরে আসছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করা কুর্দিশ যোদ্ধারা ওই অভিযানে দুর্বল হয়ে পড়েছেন।

এই অভিযোগে তুরস্ককে আইএসের ছায়াশক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এই ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধরনের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ন্যাটোকে তিনি সমর্থন জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।