ফারুক আবদুল্লাহর সেই চিঠি শেয়ার করলেন কংগ্রেস নেতা
jugantor
ফারুক আবদুল্লাহর সেই চিঠি শেয়ার করলেন কংগ্রেস নেতা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:০০:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর একটি চিঠি নিজের টুইটারে শেয়ার করেছেন কংগ্রেসদলীয় সংসদ সদস্য শশী থারুর।

সেই চিঠিতে ফারুক আবদুল্লাহকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে উপস্থিত না থাকতে দেয়ার ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

টুইটের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন– ‘এটি বন্দি ফারুক সাহেবের চিঠি। একজন সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে আসার অনুমতি দেয়া উচিত।’

তিনি আরও লেখেন– ‘এটি ফারুক আবদুল্লাহর সাংসদীয় অধিকার। অন্যথায় কাশ্মীরের এই জনপ্রতিনিধির গ্রেফতারকে বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রদ করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হবে। সংসদে যোগ দেয়া গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের জন্য আবশ্যক।’

 

এর আগে ফারুক আবদুল্লাহর মুক্তি চেয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদও। গত ১৮ নভেম্বরের সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাট্টা হন বিরোধীরা। সকালে অধিবেশনের শুরুতেই ফারুকের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকসভার স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনাব, ফারুক আবদুল্লাহ আসেননি। সরকারকে নির্দেশ দিন, তাকে মুক্তি দিতে, নইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এখনই এ বিষয়ে বিবৃতি দিতে বলুন।’


উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর ১০০ দিনের বেশি অতিক্রান্ত হলেও এখনও গৃহবন্দি রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা লোকসভার সাংসদ ফারুক আবদুল্লাহ।

এ বিষয়ে বন্দিদশাতেই তিনি অপরাধী নন দাবি করে একটি চিঠি লিখেছিলেন ফারুক আবদুল্লাহ।  
তিনি লেখেন– ‘আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ। যেটি আপনি আমাকে ২১ অক্টোবর ২০১৯-এ পাঠিয়েছিলেন। আমাকে আজ এই চিঠি আমার ম্যাজিস্ট্রেট দিয়েছেন, যিনি আমার সঙ্গে সাবজেলে যোগাযোগ করেছেন। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তারা আমাকে ওই সময়ে এই চিঠিটি দেননি। আমি নিশ্চিত এটি সংসদের একজন বর্ষীয়ান সদস্য এবং এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সঠিক আচরণ নয়। আমরা অপরাধী নই।’

প্রসঙ্গত আগস্টের ৫ তারিখ থেকে গৃহবন্দি রাখার পর জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য ও ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) নেতা ফারুক আবদুল্লাহকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে জননিরাপত্তা আইনে (পিএসএ) গ্রেফতার করা হয়।

এ আইনের অধীনে কোনো বিচার ছাড়াই গ্রেফতারকৃতকে দুই বছর পর্যন্ত আটক রাখা যায়।

ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে ফারুক আবদুল্লাকে গৃহবন্দি করা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগস্টের ৬ তারিখে বলেছিলেন– তাকে আটক রাখা হয়নি, সাজাও দেয়া হয়নি, তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসিত আছেন।

যদিও ফারুকের পক্ষ থেকে তখন দুজন এনসি নেতা বলেছিলেন– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে মিথ্যাচার করেছেন।

 

ফারুক আবদুল্লাহর সেই চিঠি শেয়ার করলেন কংগ্রেস নেতা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর একটি চিঠি নিজের টুইটারে শেয়ার করেছেন কংগ্রেসদলীয় সংসদ সদস্য শশী থারুর।

সেই চিঠিতে ফারুক আবদুল্লাহকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে উপস্থিত না থাকতে দেয়ার ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

টুইটের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন– ‘এটি বন্দি ফারুক সাহেবের চিঠি। একজন সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে আসার অনুমতি দেয়া উচিত।’

তিনি আরও লেখেন– ‘এটি ফারুক আবদুল্লাহর সাংসদীয় অধিকার। অন্যথায় কাশ্মীরের এই জনপ্রতিনিধির গ্রেফতারকে বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রদ করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হবে। সংসদে যোগ দেয়া গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের জন্য আবশ্যক।’

এর আগে ফারুক আবদুল্লাহর মুক্তি চেয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদও। গত ১৮ নভেম্বরের সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাট্টা হন বিরোধীরা। সকালে অধিবেশনের শুরুতেই ফারুকের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকসভার স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনাব, ফারুক আবদুল্লাহ আসেননি। সরকারকে নির্দেশ দিন, তাকে মুক্তি দিতে, নইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এখনই এ বিষয়ে বিবৃতি দিতে বলুন।’


উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর ১০০ দিনের বেশি অতিক্রান্ত হলেও এখনও গৃহবন্দি রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা লোকসভার সাংসদ ফারুক আবদুল্লাহ।

এ বিষয়ে বন্দিদশাতেই তিনি অপরাধী নন দাবি করে একটি চিঠি লিখেছিলেন ফারুক আবদুল্লাহ।
তিনি লেখেন– ‘আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ। যেটি আপনি আমাকে ২১ অক্টোবর ২০১৯-এ পাঠিয়েছিলেন। আমাকে আজ এই চিঠি আমার ম্যাজিস্ট্রেট দিয়েছেন, যিনি আমার সঙ্গে সাবজেলে যোগাযোগ করেছেন। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তারা আমাকে ওই সময়ে এই চিঠিটি দেননি। আমি নিশ্চিত এটি সংসদের একজন বর্ষীয়ান সদস্য এবং এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সঠিক আচরণ নয়। আমরা অপরাধী নই।’

প্রসঙ্গত আগস্টের ৫ তারিখ থেকে গৃহবন্দি রাখার পর জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য ও ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) নেতা ফারুক আবদুল্লাহকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে জননিরাপত্তা আইনে (পিএসএ) গ্রেফতার করা হয়।

এ আইনের অধীনে কোনো বিচার ছাড়াই গ্রেফতারকৃতকে দুই বছর পর্যন্ত আটক রাখা যায়।

ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে ফারুক আবদুল্লাকে গৃহবন্দি করা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগস্টের ৬ তারিখে বলেছিলেন– তাকে আটক রাখা হয়নি, সাজাও দেয়া হয়নি, তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসিত আছেন।

যদিও ফারুকের পক্ষ থেকে তখন দুজন এনসি নেতা বলেছিলেন– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে মিথ্যাচার করেছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট