উত্তপ্ত ত্রিপুরায় পুলিশের লাঠি-গুলি, আহত ১০
jugantor
উত্তপ্ত ত্রিপুরায় পুলিশের লাঠি-গুলি, আহত ১০

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:২৮:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আগরতলায় বিক্ষোভ। ছবি: পিটিআই
নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আগরতলায় বিক্ষোভ। ছবি: পিটিআই

ভারতের লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও পাস হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)। 

বুধবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে ডাকা বন্ধে (হরতাল) উত্তাল ছিল ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা। 

দুই রাজ্যেই একাধিক বাস ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ত্রিপুরায় গুলি চালিয়েছে পুলিশ।

গুয়াহাটিতে জারি হয়েছে কারফিউ। বহু জায়গায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। 

বিক্ষোভ ঠেকাতে আসাম-ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, নাগরিকত্ব বিলকে কেন্দ্র করে তৃতীয় দিনেও ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ, অবরোধ, দোকান-বাজারে আগুন, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সংঘর্ষে ১০ জন জখম হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসের পাশাপাশি আসাম রাইফেলস, সিআরপিএফ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে নামানো হয়েছে। 

ধলাই জেলার কমলপুরে সকাল থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। নাকাশিপাড়ায় বিল-বিরোধীরা পথ অবরোধে বসেন। এসময় পুলিশ ও টিএসআর তাদের হঠাতে লাঠি চালায়, কাঁদানে গ্যাস ও ১২ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। 

ধলাইয়ের আমবাসাতেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৬ জন জখম হয়েছেন।

অপরদিকে খোয়াই জেলার অম্পি চৌমুহনিতে জনতা ও বিক্ষোভকারীরা মুখোমুখি হলে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ লাঠি চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। 

গোমতি জেলার অমরপুর, উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুরেও উত্তেজনা রয়েছে।

উত্তপ্ত ত্রিপুরায় পুলিশের লাঠি-গুলি, আহত ১০

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:২৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আগরতলায় বিক্ষোভ। ছবি: পিটিআই
নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আগরতলায় বিক্ষোভ। ছবি: পিটিআই

ভারতের লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও পাস হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)।

বুধবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে ডাকা বন্ধে (হরতাল) উত্তাল ছিল ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা।

দুই রাজ্যেই একাধিক বাস ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ত্রিপুরায় গুলি চালিয়েছে পুলিশ।

গুয়াহাটিতে জারি হয়েছে কারফিউ। বহু জায়গায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

বিক্ষোভ ঠেকাতে আসাম-ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, নাগরিকত্ব বিলকে কেন্দ্র করে তৃতীয় দিনেও ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ, অবরোধ, দোকান-বাজারে আগুন, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সংঘর্ষে ১০ জন জখম হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসের পাশাপাশি আসাম রাইফেলস, সিআরপিএফ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে নামানো হয়েছে।

ধলাই জেলার কমলপুরে সকাল থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। নাকাশিপাড়ায় বিল-বিরোধীরা পথ অবরোধে বসেন। এসময় পুলিশ ও টিএসআর তাদের হঠাতে লাঠি চালায়, কাঁদানে গ্যাস ও ১২ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

ধলাইয়ের আমবাসাতেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৬ জন জখম হয়েছেন।

অপরদিকে খোয়াই জেলার অম্পি চৌমুহনিতে জনতা ও বিক্ষোভকারীরা মুখোমুখি হলে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ লাঠি চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে।

গোমতি জেলার অমরপুর, উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুরেও উত্তেজনা রয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বিতর্ক