‘ব্রিটেনে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড’
jugantor
‘ব্রিটেনে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড’

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:২৭:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ব্রিটেনে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড’
ছবি: সংগৃহীত

স্কটল্যান্ড নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের অধীন থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজেন। বিবিসির অ্যান্ড্রু মারের শোতে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইউনিয়নে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তাকে একটি দ্বিতীয় গণভোটের আয়োজনের ক্ষমতা দিতে অস্বীকার করতে থাকলে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রতি জন সমর্থন বাড়বে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।-খবর গার্ডিয়ান অনলাইনের

স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (এসএনপি) এই নেতা জানান, যুক্তরাজ্য অখন্ডভাবে একটি ইউনিয়ন হিসাবে থাকতে চাইলে সেটি কেবল সম্মতির ভিত্তিতেই হতে পারে।

যুক্তরাজ্য সরকার যদি মনে করে থাকে গণভোটকে না বলে দিলেই বিষয়টি এখানে থেমে যাবে তাহলে ভুল করবে। 

গত বৃহস্পতিবারের ভোটে স্কটল্যান্ডে ভাল ফল করেছে এসএনপি। গোটা যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রী জনসনের দল যত না ভোট পেয়েছে সে হিসাবে স্কটল্যান্ডে এসএনপি সেখানকার ভোটারদের ভোট পেয়েছে বেশি।

এসএনপি নেতা স্টারজেন বলেন, স্কটিশ ভোটাররা টোরিদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ব্রেক্সিটকে না বলেছে। তাতে এটা পরিস্কার যে, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ আমাদের হাতেই নিতে চাই।

তার মতে, যারা এসএনপিকে ভোট দিয়েছেন; তারা সবাই যে স্বাধীনতাকে সমর্থন করবেন, তা আমি মনে করি না। কিন্তু এ প্রশ্নের ব্যাপারে আমি সিদ্ধান্ত দেয়ার কেউ না, বরিস জনসনও সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। এটি স্কটল্যান্ডের জনগণের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

জনসন ব্রিটেনের অখন্ডতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকলে স্কটল্যান্ডের ব্যাপারে স্কটিশদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে দেয়ার ক্ষেত্রেও তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন স্টারজেন।

২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে স্কটল্যান্ড স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠান করেছিল। স্বাধীনতার বিপক্ষে পড়েছিল ৫৫ শতাংশ এবং পক্ষে পড়েছিল ৪৪ শতাংশ ভোট।

‘ব্রিটেনে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড’

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘ব্রিটেনে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড’
ছবি: সংগৃহীত

স্কটল্যান্ড নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের অধীন থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজেন। বিবিসির অ্যান্ড্রু মারের শোতে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইউনিয়নে বন্দি থাকতে পারে না স্কটল্যান্ড।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তাকে একটি দ্বিতীয় গণভোটের আয়োজনের ক্ষমতা দিতে অস্বীকার করতে থাকলে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রতি জন সমর্থন বাড়বে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।-খবর গার্ডিয়ান অনলাইনের

স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (এসএনপি) এই নেতা জানান, যুক্তরাজ্য অখন্ডভাবে একটি ইউনিয়ন হিসাবে থাকতে চাইলে সেটি কেবল সম্মতির ভিত্তিতেই হতে পারে।

যুক্তরাজ্য সরকার যদি মনে করে থাকে গণভোটকে না বলে দিলেই বিষয়টি এখানে থেমে যাবে তাহলে ভুল করবে।

গত বৃহস্পতিবারের ভোটে স্কটল্যান্ডে ভাল ফল করেছে এসএনপি। গোটা যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রী জনসনের দল যত না ভোট পেয়েছে সে হিসাবে স্কটল্যান্ডে এসএনপি সেখানকার ভোটারদের ভোট পেয়েছে বেশি।

এসএনপি নেতা স্টারজেন বলেন, স্কটিশ ভোটাররা টোরিদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ব্রেক্সিটকে না বলেছে। তাতে এটা পরিস্কার যে, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ আমাদের হাতেই নিতে চাই।

তার মতে, যারা এসএনপিকে ভোট দিয়েছেন; তারা সবাই যে স্বাধীনতাকে সমর্থন করবেন, তা আমি মনে করি না। কিন্তু এ প্রশ্নের ব্যাপারে আমি সিদ্ধান্ত দেয়ার কেউ না, বরিস জনসনও সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। এটি স্কটল্যান্ডের জনগণের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

জনসন ব্রিটেনের অখন্ডতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকলে স্কটল্যান্ডের ব্যাপারে স্কটিশদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে দেয়ার ক্ষেত্রেও তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন স্টারজেন।

২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে স্কটল্যান্ড স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠান করেছিল। স্বাধীনতার বিপক্ষে পড়েছিল ৫৫ শতাংশ এবং পক্ষে পড়েছিল ৪৪ শতাংশ ভোট।