লিবিয়ার হাফতারকে এরদোগানের কড়া হুশিয়ারি
jugantor
লিবিয়ার হাফতারকে এরদোগানের কড়া হুশিয়ারি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৫:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

এরদোগান ও খলিফা হাফতার
এরদোগান ও খলিফা হাফতার। ফাইল ছবি

লিবিয়ায় হামলা অব্যাহত রাখলে হাফতারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।  তিনি বলেন, লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে যদি পশ্চিম লিবিয়ার বাহিনীর কমান্ডার খলিফা হাফতারের হামলা অব্যাহত থাকে তাহলে তুরস্ক তাদের শিক্ষা দিতে বিরত থাকবে না।

মঙ্গলবার এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এ কথা বলেন।  এ খবর জানিয়েছে তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক।  

এরদোগান তার ভাষণে বলেন, সেমাবার মস্কোতে ত্রিপলী ভিত্তিক সরকার ফয়েজ আল সিরাজের সঙ্গে খলিফা হাফতার শান্তি আলোচনার চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে পালিয়ে এসেছে। এতে করে তাদের মধ্যে চলা নয় মাসের যুদ্ধবিরতির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধরত দুইপক্ষের আলোচনা আয়োজন করা হয়েছিল রাশিয়ার মস্কোতো।  

সোমবার সেই আলোচনায় অংশ নেন লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতার ও দেশটির জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের প্রধান ফায়েজ আল সিরাজ। আলোচনা শেষে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উভয় নেতার স্বাক্ষরের কথা ছিল।

লিবিয়ার হাফতারকে এরদোগানের কড়া হুশিয়ারি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এরদোগান ও খলিফা হাফতার
এরদোগান ও খলিফা হাফতার। ফাইল ছবি

লিবিয়ায় হামলা অব্যাহত রাখলে হাফতারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। তিনি বলেন, লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে যদি পশ্চিম লিবিয়ার বাহিনীর কমান্ডার খলিফা হাফতারের হামলা অব্যাহত থাকে তাহলে তুরস্ক তাদের শিক্ষা দিতে বিরত থাকবে না।

মঙ্গলবার এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এ কথা বলেন। এ খবর জানিয়েছে তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক।

এরদোগান তার ভাষণে বলেন, সেমাবার মস্কোতে ত্রিপলী ভিত্তিক সরকার ফয়েজ আল সিরাজের সঙ্গে খলিফা হাফতার শান্তি আলোচনার চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে পালিয়ে এসেছে।এতে করে তাদের মধ্যে চলা নয় মাসের যুদ্ধবিরতির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধরত দুইপক্ষের আলোচনা আয়োজন করা হয়েছিল রাশিয়ার মস্কোতো।

সোমবার সেই আলোচনায় অংশ নেন লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতার ও দেশটির জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের প্রধান ফায়েজ আল সিরাজ। আলোচনা শেষে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উভয় নেতার স্বাক্ষরের কথা ছিল।