মেয়ের ভালো চেয়েছিলেন মা, কিন্তু না ‍বুঝেই গলায় ফাঁস নিল স্কুলছাত্রী
jugantor
মেয়ের ভালো চেয়েছিলেন মা, কিন্তু না ‍বুঝেই গলায় ফাঁস নিল স্কুলছাত্রী

  অনলাইন ডেস্ক  

২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:৫০:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দোলন
আত্মঘাতী দোলন। ছবি-সংগৃহীত

সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা। মা চাইতেন মেয়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করুক। কিন্তু মেয়ে পড়াশোনায় মন না দিয়ে শুধু মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকত। 

এ নিয়ে মেয়েকে বকাবকি করতেন। কেড়ে নেন মেয়ের মোবাইল ফোন। আর তার জেরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করল দশম শ্রেণির ছাত্রী!   

সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট পার্ক এলাকার পূর্ব আনন্দপল্লিতে।

পুলিশ সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় এক কিশোরীকে তার পরিবারের লোকজন নিয়ে যান এম আর বাঙুর হাসপাতালে। ওই কিশোরীর গলায় ফাঁসের চিহ্ন ছিল। কিশোরীকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ওই কিশোরীর বাড়ি আনন্দপল্লিতে। স্থানীয় বিনয় বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। নাম দোলন দাস। বাবা তাপস কর্মসূত্রে থাকেন গুজরাতে। এখানে দাদা এবং মায়ের সঙ্গে থাকত দোলন। 

পরিবারের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, সব সময় মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকত দোলন। এতে পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। এ নিয়ে এর আগেও বেশ কয়েক বার তার মা বকাঝকা করেছেন মেয়েকে।

সোমবার বিকালে সেই মোবাইল নিয়ে ফের অশান্তি হয় মা-মেয়ের মধ্যে। জানা গেছে, মেয়ের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিতে যান রীতা। সেই সময় মোবাইলটি ছিটকে পড়ে ভেঙে যায়। এর পরই নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয় দোলন। 

মেয়ের ভালো চেয়েছিলেন মা, কিন্তু না ‍বুঝেই গলায় ফাঁস নিল স্কুলছাত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 
২২ জানুয়ারি ২০২০, ০৪:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দোলন
আত্মঘাতী দোলন। ছবি-সংগৃহীত

সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা। মা চাইতেন মেয়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করুক। কিন্তু মেয়ে পড়াশোনায় মন না দিয়ে শুধু মোবাইল নিয়ে পড়েথাকত।

এ নিয়ে মেয়েকে বকাবকি করতেন। কেড়ে নেন মেয়ের মোবাইল ফোন। আর তার জেরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করল দশম শ্রেণির ছাত্রী!

সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট পার্ক এলাকার পূর্ব আনন্দপল্লিতে।

পুলিশ সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় এক কিশোরীকে তার পরিবারের লোকজন নিয়ে যান এম আর বাঙুর হাসপাতালে। ওই কিশোরীর গলায় ফাঁসের চিহ্ন ছিল।কিশোরীকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ওই কিশোরীর বাড়ি আনন্দপল্লিতে। স্থানীয় বিনয় বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। নাম দোলন দাস। বাবা তাপস কর্মসূত্রে থাকেন গুজরাতে। এখানে দাদা এবং মায়ের সঙ্গে থাকত দোলন।

পরিবারের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, সব সময় মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকত দোলন। এতে পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। এ নিয়ে এর আগেও বেশ কয়েক বার তার মা বকাঝকা করেছেন মেয়েকে।

সোমবার বিকালে সেই মোবাইল নিয়ে ফের অশান্তি হয় মা-মেয়ের মধ্যে। জানা গেছে, মেয়ের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিতে যান রীতা।সেই সময় মোবাইলটি ছিটকে পড়ে ভেঙে যায়। এর পরই নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয় দোলন।