খাসোগির বাগদত্তার ওপর সৌদি নজরদারির পরিকল্পনা!
jugantor
খাসোগির বাগদত্তার ওপর সৌদি নজরদারির পরিকল্পনা!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৪১:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

খাসোগির বাগদত্তার ওপর গুপ্তচরবৃত্তির করতে চেয়েছিল সৌদি
ছবি: সংগৃহীত

নিহত সাংবাদিক জামাল খাসোগির বাগদত্তা খাদিজা সেনজিজের ওপর সৌদি আরবের নজরদারির পরিকল্পনা জানার পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে ব্রিটেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান এমন খবর দিয়েছে। গত বছরের মে-তে লন্ডনে খাদিজার ওপর নজরদারিতে সৌদির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছার কথা জানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিহত হওয়ার সাত মাস পরের ঘটনা এটি। খাদিজাকে বিয়ে করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর ফিরে আসতে পারেননি তিনি।

তবে এই তুর্কি নারীর ওপর সৌদির নজরদারির চেষ্টা ইলেক্ট্রনিক নাকি শারীরিক ছিল, কিংবা সেই চেষ্টা সফল হয়েছে কিনা, তা পরিষ্কার হওয়া সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে যে খাদিজাকে এভাবেই নজরদারির নিশানা করা হয়েছিল বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা। খাসোগি হত্যার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝর ওঠার পরেই ব্রিটেনে তাকে নিশানা করার প্রস্তুতি নিয়েছিল সৌদি। 

এ ঘটনা কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সতর্কতার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া সৌদি নজরদারি নিয়ে মানবাধিকার কর্মীদের উদ্বেগকেও আরও সামনে নিয়ে এসেছে। 

তাদের অভিযোগ, ভিন্নমতাবলম্বী ও সমালোচকদের পর্যবেক্ষণ ও ভয় দেখাতে নজরদারি সিস্টেমকে ব্যবহার করে আসছে সৌদি।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ফেলো ও সৌদি মানবাধিকার কর্মী হালা আলদোসারি বলেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণভাবে ঢেকে ফেলতে চেয়েছিল সৌদি। কাজেই এটা বোধগম্য যে যাতে খাদিজার কণ্ঠ ও কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসে।

তার মতে, সৌদি আরবের সব বেআইনি আচরণ এখনো অব্যাহত রয়েছে। কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২০১৮ সালের অক্টোবরে খাসোগি নিহত হওয়ার পর থেকেই বিচারের দাবিতে সক্রিয় রয়েছেন তুর্কিশ নাগরিক খাদিজা।

খাসোগির বাগদত্তার ওপর সৌদি নজরদারির পরিকল্পনা!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ জানুয়ারি ২০২০, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খাসোগির বাগদত্তার ওপর গুপ্তচরবৃত্তির করতে চেয়েছিল সৌদি
ছবি: সংগৃহীত

নিহত সাংবাদিক জামাল খাসোগির বাগদত্তা খাদিজা সেনজিজের ওপর সৌদি আরবের নজরদারির পরিকল্পনা জানার পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে ব্রিটেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান এমন খবর দিয়েছে। গত বছরের মে-তে লন্ডনে খাদিজার ওপর নজরদারিতে সৌদির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছার কথা জানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিহত হওয়ার সাত মাস পরের ঘটনা এটি। খাদিজাকে বিয়ে করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর ফিরে আসতে পারেননি তিনি।

তবে এই তুর্কি নারীর ওপর সৌদির নজরদারির চেষ্টা ইলেক্ট্রনিক নাকি শারীরিক ছিল, কিংবা সেই চেষ্টা সফল হয়েছে কিনা, তা পরিষ্কার হওয়া সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে যে খাদিজাকে এভাবেই নজরদারির নিশানা করা হয়েছিল বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা। খাসোগি হত্যার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝর ওঠার পরেই ব্রিটেনে তাকে নিশানা করার প্রস্তুতি নিয়েছিল সৌদি।

এ ঘটনা কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সতর্কতার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া সৌদি নজরদারি নিয়ে মানবাধিকার কর্মীদের উদ্বেগকেও আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

তাদের অভিযোগ, ভিন্নমতাবলম্বী ও সমালোচকদের পর্যবেক্ষণ ও ভয় দেখাতে নজরদারি সিস্টেমকে ব্যবহার করে আসছে সৌদি।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ফেলো ও সৌদি মানবাধিকার কর্মী হালা আলদোসারি বলেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণভাবে ঢেকে ফেলতে চেয়েছিল সৌদি। কাজেই এটা বোধগম্য যে যাতে খাদিজার কণ্ঠ ও কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসে।

তার মতে, সৌদি আরবের সব বেআইনি আচরণ এখনো অব্যাহত রয়েছে। কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২০১৮ সালের অক্টোবরে খাসোগি নিহত হওয়ার পর থেকেই বিচারের দাবিতে সক্রিয় রয়েছেন তুর্কিশ নাগরিক খাদিজা।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজ