ইরানে এত মার্কিন ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা কেন?
jugantor
ইরানে এত মার্কিন ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা কেন?

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১৩:২৫:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানে এত মার্কিন ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা কেন?

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা পোড়ানোর হিড়িক পড়ে যাওয়ায় ইরানের বিশাল পতাকা কারখানায় ব্যবসা বেড়েছে। উত্তরপূর্ব তেহরানের খোমেইন শহরে একটি কারখানায় হাতে এঁকে পতাকা বানাচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা। পরে তা রোদে শুকাতে ঝুলিয়ে রাখছেন।

কারখানাটি চলতি মাসে তার ব্যস্ততম সময়ে দুই হাজার পতাকা তৈরি করেছে। এক বছরে ১৫ লাখ বর্গফুটের পতাকা বানায় তারা।

ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে মার্কিন বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পরে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেই ইরান।

দেশটির বিভিন্ন বিক্ষোভ, সমাবেশ ও পদযাত্রায় নিয়মিত ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকা পোড়ানো হয়। দিমা পারচাম পতাকা কারখানার মালিক ঘাসেম গাঞ্জানি বলেন, আমেরিকা ও ব্রিটিশ জনগণের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মূল সমস্যা তার শাসকদের সঙ্গে। তাদের প্রেসিডেন্টদের ভুল নীতির সঙ্গে আমাদের সমস্যা।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকা ও ইসরাইলের লোকজন জানেন যে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। বিভিন্ন র‌্যালিতে তাদের পতাকা পোড়ার মধ্য দিয়ে বিক্ষোভকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সোলাইমানি হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাপুরুষোচিত হামলার কথা উল্লেখ করে কারখানার মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপক রেজাই বলেন, সেই তুলনায় এই পতাকা পোড়ানোর ঘটনা খুবই তুচ্ছ একটি ব্যাপার।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মানসিকতা রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রকে বড় শয়তান আখ্যা দিয়ে দেশটির কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে আসছেন ইরানের ধর্মীয় শাসকরা।

ইরানে এত মার্কিন ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা কেন?

 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ জানুয়ারি ২০২০, ০১:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইরানে এত মার্কিন ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা কেন?
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইসরাইলি পতাকা পোড়ানোর হিড়িক পড়ে যাওয়ায় ইরানের বিশাল পতাকা কারখানায় ব্যবসা বেড়েছে। উত্তরপূর্ব তেহরানের খোমেইন শহরে একটি কারখানায় হাতে এঁকে পতাকা বানাচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা। পরে তা রোদে শুকাতে ঝুলিয়ে রাখছেন।

কারখানাটি চলতি মাসে তার ব্যস্ততম সময়ে দুই হাজার পতাকা তৈরি করেছে। এক বছরে ১৫ লাখ বর্গফুটের পতাকা বানায় তারা।

ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে মার্কিন বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পরে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেই ইরান।

দেশটির বিভিন্ন বিক্ষোভ, সমাবেশ ও পদযাত্রায় নিয়মিত ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকা পোড়ানো হয়। দিমা পারচাম পতাকা কারখানার মালিক ঘাসেম গাঞ্জানি বলেন, আমেরিকা ও ব্রিটিশ জনগণের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মূল সমস্যা তার শাসকদের সঙ্গে। তাদের প্রেসিডেন্টদের ভুল নীতির সঙ্গে আমাদের সমস্যা।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকা ও ইসরাইলের লোকজন জানেন যে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। বিভিন্ন র‌্যালিতে তাদের পতাকা পোড়ার মধ্য দিয়ে বিক্ষোভকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সোলাইমানি হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাপুরুষোচিত হামলার কথা উল্লেখ করে কারখানার মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপক রেজাই বলেন, সেই তুলনায় এই পতাকা পোড়ানোর ঘটনা খুবই তুচ্ছ একটি ব্যাপার।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মানসিকতা রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রকে বড় শয়তান আখ্যা দিয়ে দেশটির কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে আসছেন ইরানের ধর্মীয় শাসকরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানি শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত