২৬ জনকে হত্যাকারী সেই থাই সেনা কর্মকর্তা গুলিতে নিহত
jugantor
২৬ জনকে হত্যাকারী সেই থাই সেনা কর্মকর্তা গুলিতে নিহত

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৫৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

২৬ জনকে হত্যাকারী সেই থাই সেনা কর্মকর্তা গুলিতে নিহত

থাইল্যান্ডের কোরাট শহরে এলোপাতাড়ি গুলি করে অন্তত ২৬ জনকে হত্যা ও অন্তত ৫৭ জনকে আহত করা এক সৈন্য গুলিতে নিহত হয়েছেন।

থাইল্যান্ডের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই সেনা কর্মকর্তা নিহত হন বলে পুলিশ ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

নিহত জাক্রাফ্যান থম্মা থাই সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসার ছিলেন।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল প্রায় ৩টার দিকে একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে থম্মা। প্রথমে শহরের ওই বাড়িতে ঢুকেদুজনকে গুলি করে হত্যা করেন।

এরপর সেনা ঘাঁটিতে গিয়ে অস্ত্রাগার থেকে বন্দুক নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছেন। তার গুলির মুখে পড়েছে পথচারী,বিপনীবিতানে কেনাকাটা করতে যাওয়া নারী-পুরুষ।

হামলা শুরুর ১০ ঘণ্টা পরেও তাকে ধরতে শহরের কেন্দ্রস্থলের টার্মিনাল ২১ নামের বিপনীবিতানটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বিবিসি থাইকে জানান, এই সেনা সদস্য সেনা ঘাঁটি থেকে বন্দুক ও গুলি নেয়ার আগে তার কমান্ডিংঅফিসারের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করেন।

পরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন জাক্রাফ্যান থম্মা। এর মাধ্যমে জনাকীর্ণ একটি বিপণীবিতানে চলা অচলাবস্থার অবসান হয়েছে বলে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা রোববার জানিয়েছেন।

একটি জমি চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ থেকে ওই সেনা কর্মকর্তা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ জানিয়েছেন।

২৬ জনকে হত্যাকারী সেই থাই সেনা কর্মকর্তা গুলিতে নিহত

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
২৬ জনকে হত্যাকারী সেই থাই সেনা কর্মকর্তা গুলিতে নিহত
২৬ জনকে হত্যাকারী থাই সেনা কর্মকর্তা জাক্রাফ্যান থম্মা গুলিতে নিহত। ছবি-সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের কোরাট শহরে এলোপাতাড়ি গুলি করে অন্তত ২৬ জনকে হত্যা ও অন্তত ৫৭ জনকে আহত করা এক সৈন্য গুলিতে নিহত হয়েছেন।

থাইল্যান্ডের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই সেনা কর্মকর্তা নিহত হন বলে পুলিশ ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

নিহত জাক্রাফ্যান থম্মা থাই সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসার ছিলেন। 

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল প্রায় ৩টার দিকে একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে থম্মা। প্রথমে শহরের ওই বাড়িতে ঢুকে দুজনকে গুলি করে হত্যা করেন। 

এরপর সেনা ঘাঁটিতে গিয়ে অস্ত্রাগার থেকে বন্দুক নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছেন। তার গুলির মুখে পড়েছে পথচারী, বিপনীবিতানে কেনাকাটা করতে যাওয়া নারী-পুরুষ।

হামলা শুরুর ১০ ঘণ্টা পরেও তাকে ধরতে শহরের কেন্দ্রস্থলের টার্মিনাল ২১ নামের বিপনীবিতানটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বিবিসি থাইকে জানান, এই সেনা সদস্য সেনা ঘাঁটি থেকে বন্দুক ও গুলি নেয়ার আগে তার কমান্ডিং অফিসারের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করেন।

পরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন জাক্রাফ্যান থম্মা। এর মাধ্যমে জনাকীর্ণ একটি বিপণীবিতানে চলা অচলাবস্থার অবসান হয়েছে বলে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা রোববার জানিয়েছেন।

একটি জমি চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ থেকে ওই সেনা কর্মকর্তা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন