আমেরিকার মিমা মাউন্ডসের স্তূপ আজও রহস্যে ঘেরা
jugantor
আমেরিকার মিমা মাউন্ডসের স্তূপ আজও রহস্যে ঘেরা

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২০:৫৮:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

আমেরিকার মিমা মাউন্ডসের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছোট-বড় মাটির স্তূপ। ঠিক যেন দেখতে মানুষের কবরস্থান।

১৮৪১ সালে প্রথম এই স্থান নজরে আসে মার্কিন এক্সপ্লোরার চার্লস উইলকিসের। তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম ওয়াশিংটনের বিস্তীর্ণ এলাকায় এমন সাজানো বহু মাটির স্তূপ দেখেছিলেন।

মিমা মাউন্ডসের স্তূপ কোনোটা গোল, কোনোটা একটু চ্যাপ্টা, কোনোটা আবার ডিম্বাকার। এগুলোর উচ্চতা তিন মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত চওড়া এবং ৩০ সেন্টিমিটার থেকে দু’মিটার পর্যন্ত।

মনে করা হত, স্তূপগুলোর নিচে হাজার হাজার মানুষ শুয়ে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে কতগুলো স্তূপ খুঁড়ে বিজ্ঞানীরা মানুষের কোনও অবশিষ্ট খুঁজে পাননি। তাহলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কে সাজিয়ে দিল এমন স্তূপ? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করলেন বিজ্ঞানীরা।

কখনও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বায়ুপ্রবাহের জেরেই এমন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়েছে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিউ বার্গের মতে, খুব বড় ভূমিকম্পের কারণে এরকম ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

তবে সম্প্রতি এ সমস্ত তত্ত্বকে পিছনে ফেলে ২০১৭ সালে ‘নেচার’ পত্রিকায় সম্পূর্ণ অন্য তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। উইপোকা, পিঁপড়ে বা ইঁদুরের কাজ এটা। তবে প্রকাশিত এই তত্ত্বও এখনও পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হয়নি।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আমেরিকার মিমা মাউন্ডসের স্তূপ আজও রহস্যে ঘেরা

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আমেরিকার মিমা মাউন্ডসের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছোট-বড় মাটির স্তূপ। ঠিক যেন দেখতে মানুষের কবরস্থান।

১৮৪১ সালে প্রথম এই স্থান নজরে আসে মার্কিন এক্সপ্লোরার চার্লস উইলকিসের। তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম ওয়াশিংটনের বিস্তীর্ণ এলাকায় এমন সাজানো বহু মাটির স্তূপ দেখেছিলেন।

মিমা মাউন্ডসের স্তূপ কোনোটা গোল, কোনোটা একটু চ্যাপ্টা, কোনোটা আবার ডিম্বাকার। এগুলোর উচ্চতা তিন মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত চওড়া এবং ৩০ সেন্টিমিটার থেকে দু’মিটার পর্যন্ত।

মনে করা হত, স্তূপগুলোর নিচে হাজার হাজার মানুষ শুয়ে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে কতগুলো স্তূপ খুঁড়ে বিজ্ঞানীরা মানুষের কোনও অবশিষ্ট খুঁজে পাননি। তাহলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কে সাজিয়ে দিল এমন স্তূপ? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করলেন বিজ্ঞানীরা।

কখনও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বায়ুপ্রবাহের জেরেই এমন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়েছে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিউ বার্গের মতে, খুব বড় ভূমিকম্পের কারণে এরকম ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

তবে সম্প্রতি এ সমস্ত তত্ত্বকে পিছনে ফেলে ২০১৭ সালে ‘নেচার’ পত্রিকায় সম্পূর্ণ অন্য তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। উইপোকা, পিঁপড়ে বা ইঁদুরের কাজ এটা। তবে প্রকাশিত এই তত্ত্বও এখনও পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হয়নি।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন