ইরানের সেই হামলায় ১২০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল?
jugantor
ইরানের সেই হামলায় ১২০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল?

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:৪৬:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গত মাসে ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরান যে মিসাইল হামলা চালিয়েছিল, তাতে ১২০ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ডের প্রধান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি বালালি।

শুক্রবার মিডল ইস্ট মনিটর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জেনারেল আলি বালালি এ দাবি করেন।

এমন দাবি জানিয়ে জেনারেল বালালি বলেন, ‘কুদস ফোর্সের প্রয়াত কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গুরুতর ভুল’ ছিল। তাকে হত্যা করার জন্য এই অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনীকে বহিষ্কার করা হবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়েছে। সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধে ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে যে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করেছিলাম আমরা, তাতে তাদের ১২০ সেনা নিহত হয়েছে।’

এর আগে ওই হামলায় ৮০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল।

হামলার পর পর খবরে মার্কিন সেনাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খোমেনি বলেছিলেন, ‘মিসাইল হামলা ছিল আমেরিকার সৈন্যদের জন্য একটি চপেটাঘাত’।

তবে হামলায় মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ড্রোন হামলায় কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এরপর ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল-আসাদসহ দু’টি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ওই দু’টি ঘাঁটিতে এক হাজার পাঁচশ সেনা সদস্য অবস্থান করছিল।

ইরানের সেই হামলায় ১২০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল?

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:৪৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত মাসে ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরান যে মিসাইল হামলা চালিয়েছিল, তাতে ১২০ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ডের প্রধান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি বালালি।

শুক্রবার মিডল ইস্ট মনিটর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জেনারেল আলি বালালি এ দাবি করেন।

এমন দাবি জানিয়ে জেনারেল বালালি বলেন, ‘কুদস ফোর্সের প্রয়াত কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গুরুতর ভুল’ ছিল। তাকে হত্যা করার জন্য এই অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনীকে বহিষ্কার করা হবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়েছে।  সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধে ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে যে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করেছিলাম আমরা, তাতে তাদের ১২০ সেনা নিহত হয়েছে।’

এর আগে ওই হামলায় ৮০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল।  

হামলার পর পর খবরে মার্কিন সেনাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খোমেনি বলেছিলেন, ‘মিসাইল হামলা ছিল আমেরিকার সৈন্যদের জন্য একটি চপেটাঘাত’।

তবে হামলায় মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ড্রোন হামলায় কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এরপর ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল-আসাদসহ দু’টি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ওই দু’টি ঘাঁটিতে এক হাজার পাঁচশ সেনা সদস্য অবস্থান করছিল।

 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানি শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত