এবার তালেবানের সঙ্গে একান্তে বসতে চান ট্রাম্প
jugantor
এবার তালেবানের সঙ্গে একান্তে বসতে চান ট্রাম্প

  অনলাইন ডেস্ক  

০৩ মার্চ ২০২০, ১৭:৫৫:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্প

তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে শান্তি চুক্তি হওয়ার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব শিগগিরই তালেবানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাজধানী দোহায় আফগান তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।

সেই চুক্তি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সামরিক, আধাসামরিক, ঠিকাদার, বেসামরিক, বেসরকারী সুরক্ষা কর্মী এবং উপদেষ্টাসহ সব বিদেশিদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে যে প্যাগানিয়াসের মিত্ররা প্রথম ১৩৫ দিনের মধ্যে ৮,৬০০ সেনা সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে একটি চুক্তি হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পাকিস্তানসহ অনেক দেশ তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে সমঝোতার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এ চুক্তি ‍নিয়ে কয়েকজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনাও করেছেন।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট চুক্তির সমালোচনাকে গুরুত্বহীন বলে আখ্যায়িত করেছেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, শান্তি চুক্তি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি তালেবানদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চান বলে জানান।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি খুব শিগগিরই তালেবানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চান, তবে কখন এবং কোথায় এ সাক্ষাত হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি ট্রাম্প।

বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তালেবানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির প্রশংসা করে বলেন, অবশেষে, আমরা ১৮ বছর পরে যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পেরেছি এবং একইসঙ্গে চুক্তির সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করছি।

চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা আফগানিস্তান থেকে একই সঙ্গে ১৩,০০০ থেকে ৮,০০০ সেনা প্রত্যাহার করতে পারে এবং চুক্তিটি তাদের প্রয়োজনের সময় আবার সেনা মোতায়েনেরও ক্ষমতা দেয়।

হোয়াইট হাউসে দেয়া ওই বক্তৃতায় ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সমালোচনাকারী সাবেক জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা জন বোল্টনের কথাও উল্লেখ করেন।

চুক্তি সম্পাদনের পরই জন বোল্টন সোশ্যাল মিডিয়ায় তালেবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, এটি সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার নীতি। এই চুক্তি আমেরিকান জনগণ গ্রহণ করবে না।

জন বোল্টন শান্তিচুক্তির সমালোচনা করে বলেন, তালেবানদের সঙ্গে শান্তি চুক্তির উদ্দেশ্য আইএস এবং আল-কায়েদার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে মিথ্যা সংকেত পাঠানো। শুধু তা-ই নয়, এটি মার্কিন শত্রুদের কাছেও একটি মিথ্যা বার্তা দেবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য তার এ কথার সমালোচনা করে বলেছেন, এক বছর আগে বোল্টন চাইলে এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যেত।

ডন উর্দূ অবলম্বনে- মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ

এবার তালেবানের সঙ্গে একান্তে বসতে চান ট্রাম্প

 অনলাইন ডেস্ক 
০৩ মার্চ ২০২০, ০৫:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রাম্প
ছবি: রয়টার্স

তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে শান্তি চুক্তি হওয়ার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব শিগগিরই তালেবানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাজধানী দোহায় আফগান তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।

সেই চুক্তি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সামরিক, আধাসামরিক, ঠিকাদার, বেসামরিক, বেসরকারী সুরক্ষা কর্মী এবং উপদেষ্টাসহ সব বিদেশিদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে যে প্যাগানিয়াসের মিত্ররা প্রথম ১৩৫ দিনের মধ্যে ৮,৬০০ সেনা সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে একটি চুক্তি হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পাকিস্তানসহ অনেক দেশ তালেবান ও মার্কিন সরকারের মধ্যে সমঝোতার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এ চুক্তি ‍নিয়ে কয়েকজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনাও করেছেন। 

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট চুক্তির সমালোচনাকে গুরুত্বহীন বলে আখ্যায়িত করেছেন। 

রয়টার্স জানিয়েছে, শান্তি চুক্তি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি তালেবানদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চান বলে জানান। 

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি খুব শিগগিরই তালেবানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চান, তবে কখন এবং কোথায় এ সাক্ষাত হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি ট্রাম্প। 

বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তালেবানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির প্রশংসা করে বলেন, অবশেষে, আমরা ১৮ বছর পরে যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পেরেছি এবং একইসঙ্গে চুক্তির সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করছি।

চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা আফগানিস্তান থেকে একই সঙ্গে ১৩,০০০ থেকে ৮,০০০ সেনা প্রত্যাহার করতে পারে এবং চুক্তিটি তাদের প্রয়োজনের সময় আবার সেনা মোতায়েনেরও ক্ষমতা দেয়। 

হোয়াইট হাউসে দেয়া ওই বক্তৃতায় ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সমালোচনাকারী সাবেক জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা জন বোল্টনের কথাও উল্লেখ করেন। 

চুক্তি সম্পাদনের পরই জন বোল্টন সোশ্যাল মিডিয়ায় তালেবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, এটি সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার নীতি। এই চুক্তি আমেরিকান জনগণ গ্রহণ করবে না।

জন বোল্টন শান্তিচুক্তির সমালোচনা করে বলেন, তালেবানদের সঙ্গে শান্তি চুক্তির উদ্দেশ্য আইএস এবং আল-কায়েদার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে মিথ্যা সংকেত পাঠানো। শুধু তা-ই নয়,  এটি মার্কিন শত্রুদের কাছেও একটি মিথ্যা বার্তা দেবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য তার এ কথার সমালোচনা করে বলেছেন, এক বছর আগে বোল্টন চাইলে এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যেত।

ডন উর্দূ অবলম্বনে- মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-তালেবান শান্তি আলোচনা