বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়েটি (ভিডিও)
jugantor
বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়েটি (ভিডিও)

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ মার্চ ২০২০, ১০:২৪:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়েটি (ভিডিও)
ছবি: গার্ডিয়ান

বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়ে সালওয়া। গত ৯ বছর ধরে চলা সিরীয় যুদ্ধে বোমার শব্দ তো সেখানে হরহামেশাই ঘটছে।

কিন্তু তিন বছর বয়সী সালওয়া ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী। তার বাবা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাকে এভাবেই হাসতে শিখিয়েছেন। তবে বিবিসি জানিয়ছে, সেই মেয়েটি অবশেষে সিরিয়া থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সালওয়া ও তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তুরস্ক পৌঁছায়। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রেয়হালনি শরণার্থী শিবিরে নেয়া হয়েছে তাদের।

ইদলিবের কাছাকাছিই ছিল তাদের বাড়ি। বিদ্রোহীদের শক্ত ঘাঁটি রয়েছে সেখানে। অঞ্চলটিতে বোমার আওয়াজ ছিল একেবারেই অহরহ। সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘাত লেগেই থাকতো।

কাজেই যখনই কোনো বোমা পড়ার শব্দ পেত, অমনি হেসে উঠত সালওয়া। এটা তার কাছে নিছকই খেলা বলে মনে হতো।

বোমার শব্দে তার হাসার শব্দ গত মাসে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও তা শিরোনাম হয়। অবশেষে তুরস্ক সরকার তার প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিভাবকসহ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তুরস্ক পৌঁছাল সালওয়া। তার বাবা আবদুল্লাহ বলেন, ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝেও তার মেয়েকে শান্ত, চনমনে ও খুশি রাখতে সাহায্য করেছে এই হাসি। যে কারণে তুরস্ক সরকারও তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছে।

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদক টুইটারে বলেন, এবার সালওয়া স্বাভাবিকভাবেই হাসতে পারবে।

 

বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়েটি (ভিডিও)

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ মার্চ ২০২০, ১০:২৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়েটি (ভিডিও)
ছবি: গার্ডিয়ান

বোমার আওয়াজ পেলেই খিলখিল করে হেসে উঠত ছোট্ট মেয়ে সালওয়া। গত ৯ বছর ধরে চলা সিরীয় যুদ্ধে বোমার শব্দ তো সেখানে হরহামেশাই ঘটছে।

কিন্তু তিন বছর বয়সী সালওয়া ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী। তার বাবা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাকে এভাবেই হাসতে শিখিয়েছেন। তবে বিবিসি জানিয়ছে, সেই মেয়েটি অবশেষে সিরিয়া থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সালওয়া ও তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তুরস্ক পৌঁছায়। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রেয়হালনি শরণার্থী শিবিরে নেয়া হয়েছে তাদের।

ইদলিবের কাছাকাছিই ছিল তাদের বাড়ি। বিদ্রোহীদের শক্ত ঘাঁটি রয়েছে সেখানে। অঞ্চলটিতে বোমার আওয়াজ ছিল একেবারেই অহরহ। সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘাত লেগেই থাকতো।

কাজেই যখনই কোনো বোমা পড়ার শব্দ পেত, অমনি হেসে উঠত সালওয়া। এটা তার কাছে নিছকই খেলা বলে মনে হতো।

বোমার শব্দে তার হাসার শব্দ গত মাসে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও তা শিরোনাম হয়। অবশেষে তুরস্ক সরকার তার প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিভাবকসহ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তুরস্ক পৌঁছাল সালওয়া। তার বাবা আবদুল্লাহ বলেন, ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝেও তার মেয়েকে শান্ত, চনমনে ও খুশি রাখতে সাহায্য করেছে এই হাসি। যে কারণে তুরস্ক সরকারও তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছে।

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদক টুইটারে বলেন, এবার সালওয়া স্বাভাবিকভাবেই হাসতে পারবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিরিয়া যুদ্ধ