পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন চাই: এরদোগান
jugantor
পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন চাই: এরদোগান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ মার্চ ২০২০, ১৫:০৫:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ন্যাটো-ইউরোপের কাছ থেকে বাস্তবিক সমর্থন চাচ্ছেন এরদোগান

ইদলিবে লড়াই যখন প্রচণ্ড রূপ নিয়েছে, তখন সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাস্তবিক সমর্থন দাবি করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

ইতিমধ্যে তুর্কি-গ্রিস সীমান্তে শরণার্থী সংকট কঠিন আকার নিয়েছে। হাজার হাজার শরণার্থী গ্রিসে ঢুকতে চাইলে নতুন করে বেড়ে ওঠা উত্তেজনা নিয়ে ইউরোপীয় ও ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে ব্রাসেলস গেছেন এরদোগান।- খবর আল-জাজিরার

এর আগে গতমাসে নিজেদের ভূখণ্ডে শরণার্থীদের আটকে রাখতে পারছে না বলে জানিয়ে দেয় আংকারা।

ন্যাটো সেক্রেটারি জেনস স্টোলেনবার্গের সঙ্গে আলোচনার পর এরদোগান বলেন, সিরিয়া থেকে আসা কয়েক লাখ শরণার্থীকে সামাল দিতে পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন চেয়েছি।

তিনি বলেন, এই সংকট সিরিয়া থেকে উদ্ভূত। নিরাপত্তা ও মানবিকতার দিক থেকে যা আমাদের অঞ্চলের জন্য হুমকি। ইউরোপও এতে নিরাপদ না। কোনো ইউরোপীয় দেশের বিলাসিতার সুযোগ নেই, যে এ সংকট নিয়ে তারা উদাসীন থাকবে।

শরণার্থীরা গ্রিসের সঙ্গে তুরস্কের সীমান্তে গিয়ে জড়ো হয়েছেন। এর আগে এরদোগান সরকার জানায় যে এসব শরণার্থীকে ধরে রাখা তাদের পক্ষে আর সম্ভব না।

ইদলিবের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে তীব্র লড়াইয়ে কয়েক ডজন সেনা নিহত হওয়ার পর এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এরদোগান বলেন, এই লড়াইয়ে আমাদের সব পশ্চিমা মিত্রের কাছ থেকে বাস্তবিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি। তুর্কি এতদিন একাই লড়াই চালিয়ে আসছে। এই সংকটকালীন অবস্থায় ন্যাটোর সমর্থন অপরিহার্য।

পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন চাই: এরদোগান

 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ মার্চ ২০২০, ০৩:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ন্যাটো-ইউরোপের কাছ থেকে বাস্তবিক সমর্থন চাচ্ছেন এরদোগান
ছবি: সংগৃহীত

ইদলিবে লড়াই যখন প্রচণ্ড রূপ নিয়েছে, তখন সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাস্তবিক সমর্থন দাবি করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

ইতিমধ্যে তুর্কি-গ্রিস সীমান্তে শরণার্থী সংকট কঠিন আকার নিয়েছে। হাজার হাজার শরণার্থী গ্রিসে ঢুকতে চাইলে নতুন করে বেড়ে ওঠা উত্তেজনা নিয়ে ইউরোপীয় ও ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে ব্রাসেলস গেছেন এরদোগান।- খবর আল-জাজিরার

এর আগে গতমাসে নিজেদের ভূখণ্ডে শরণার্থীদের আটকে রাখতে পারছে না বলে জানিয়ে দেয় আংকারা।

ন্যাটো সেক্রেটারি জেনস স্টোলেনবার্গের সঙ্গে আলোচনার পর এরদোগান বলেন, সিরিয়া থেকে আসা কয়েক লাখ শরণার্থীকে সামাল দিতে পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন চেয়েছি।

তিনি বলেন, এই সংকট সিরিয়া থেকে উদ্ভূত। নিরাপত্তা ও মানবিকতার দিক থেকে যা আমাদের অঞ্চলের জন্য হুমকি। ইউরোপও এতে নিরাপদ না। কোনো ইউরোপীয় দেশের বিলাসিতার সুযোগ নেই, যে এ সংকট নিয়ে তারা উদাসীন থাকবে।

শরণার্থীরা গ্রিসের সঙ্গে তুরস্কের সীমান্তে গিয়ে জড়ো হয়েছেন। এর আগে এরদোগান সরকার জানায় যে এসব শরণার্থীকে ধরে রাখা তাদের পক্ষে আর সম্ভব না।

ইদলিবের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে তীব্র লড়াইয়ে কয়েক ডজন সেনা নিহত হওয়ার পর এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এরদোগান বলেন, এই লড়াইয়ে আমাদের সব পশ্চিমা মিত্রের কাছ থেকে বাস্তবিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি। তুর্কি এতদিন একাই লড়াই চালিয়ে আসছে। এই সংকটকালীন অবস্থায় ন্যাটোর সমর্থন অপরিহার্য। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিরিয়া যুদ্ধ