‘শেম শেম’ স্লোগানে রাজ্যসভায় শপথ সাবেক প্রধান বিচারপতির
jugantor
‘শেম শেম’ স্লোগানে রাজ্যসভায় শপথ সাবেক প্রধান বিচারপতির

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ মার্চ ২০২০, ১৬:০৮:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

‘শেম শেম’ স্লোগানে রাজ্যসভায় শপথ সাবেক প্রধান বিচারপতির

প্রেসিডেন্ট মনোনীত সদস্য হিসেবে রাজ্যসভায় শপথ নিয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। অযোধ্যা মামলায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের রায় ঘোষণা করেছিলেন তিনি।

তার এই নিয়োগ নিয়ে দেশটিতে বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, এটা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর। ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস বলছে, এটা সংবিধানের মূল কাঠামোয় গুরুতর, নজিরবিহীন ও ক্ষমার অযোগ্য আঘাত।

বৃহস্পতিবার শপথের জন্য যখন তার নাম ঘোষণা করা হয়, তখন কংগ্রেস ও বাম রাজনৈতিকে দলের সদস্যরা ‘শেম শেম’ বলে স্লোগান দেন। পরে তারা ওয়াকআউট করে বের হয়ে যান।

দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাজ্য সভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন গগৈ। তার আগে রঙ্গনাথ মিশ্র একই কাজ করেন। ১৯৯১ সালে অবসর নেয়ার সাত বছর পর কংগ্রেসের হয়ে তিনি রাজ্যসভায় আসেন।

অবসরের আট মাসে আগে রঞ্জন গগৈ বলেছিলেন যে অবসর নেয়ার পর সরকারি পদে নিয়োগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার গায়ে ক্ষত।

এবার প্রধান বিচারপতির পদ ছাড়ার মাত্র চার মাসের মাথায় তিনি রাজ্যসভায় পা রেখে নিজের সেই কথার বরখেলাপ করেন।

২০১৯ সালে তখনকার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের অফিসের এক নারী কর্মী তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ আনেন। যদিও সেই অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পান তিনি।

এনআরসি তৈরির নির্দেশও রঞ্জন গগৈয়ের দেয়া। তারই তত্ত্বাবধানে তার মেয়াদ পূর্তির আগে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করে গেছেন।

তার বিচারপতির দায়িত্ব পালনের সময়েই অধিকৃত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা বাতিল হয়েছে। তার সময়েই দাখিল হয় কাশ্মীর নিয়ে একের পর এক মামলা। এসব মামলার কোনো সুরাহা করেননি তিনি।

‘শেম শেম’ স্লোগানে রাজ্যসভায় শপথ সাবেক প্রধান বিচারপতির

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ মার্চ ২০২০, ০৪:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘শেম শেম’ স্লোগানে রাজ্যসভায় শপথ সাবেক প্রধান বিচারপতির
ছবি: সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট মনোনীত সদস্য হিসেবে রাজ্যসভায় শপথ নিয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। অযোধ্যা মামলায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের রায় ঘোষণা করেছিলেন তিনি।

তার এই নিয়োগ নিয়ে দেশটিতে বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, এটা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর। ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস বলছে, এটা সংবিধানের মূল কাঠামোয় গুরুতর, নজিরবিহীন ও ক্ষমার অযোগ্য আঘাত। 

বৃহস্পতিবার শপথের জন্য যখন তার নাম ঘোষণা করা হয়, তখন কংগ্রেস ও বাম রাজনৈতিকে দলের সদস্যরা ‘শেম শেম’ বলে স্লোগান দেন। পরে তারা ওয়াকআউট করে বের হয়ে যান।

দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাজ্য সভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন গগৈ। তার আগে রঙ্গনাথ মিশ্র একই কাজ করেন। ১৯৯১ সালে অবসর নেয়ার সাত বছর পর কংগ্রেসের হয়ে তিনি রাজ্যসভায় আসেন।

অবসরের আট মাসে আগে রঞ্জন গগৈ বলেছিলেন যে অবসর নেয়ার পর সরকারি পদে নিয়োগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার গায়ে ক্ষত। 

এবার প্রধান বিচারপতির পদ ছাড়ার মাত্র চার মাসের মাথায় তিনি রাজ্যসভায় পা রেখে নিজের সেই কথার বরখেলাপ করেন।

২০১৯ সালে তখনকার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের অফিসের এক নারী কর্মী তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ আনেন। যদিও সেই অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পান তিনি।

এনআরসি তৈরির নির্দেশও রঞ্জন গগৈয়ের দেয়া। তারই তত্ত্বাবধানে তার মেয়াদ পূর্তির আগে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করে গেছেন।

তার বিচারপতির দায়িত্ব পালনের সময়েই অধিকৃত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা বাতিল হয়েছে। তার সময়েই দাখিল হয় কাশ্মীর নিয়ে একের পর এক মামলা। এসব মামলার কোনো সুরাহা করেননি তিনি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বাবরি মসজিদ মামলার রায়

আরও খবর