ভিডিও প্রকাশের পর বন্দি নির্যাতনের কথা স্বীকার করল মিয়ানমার
jugantor
ভিডিও প্রকাশের পর বন্দি নির্যাতনের কথা স্বীকার করল মিয়ানমার

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ মে ২০২০, ১২:২৯:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পাঁচ বন্দিকে নির্মমভাবে মারধর করার কথা স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্দি নির্যাতনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এটি স্বীকার করল মিয়ানমার।

দেশটির সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে বুধবার বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগে আটক পাঁচজনকে ২১ এপ্রিল রাখাইন রাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানেই তাদের মারধর করে সাদা পোশাকের নিরাপত্তাকর্মীরা। খবর আলজাজিরার।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাধারণত প্রমাণ হওয়ার পরও তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করে না। কিন্তু এবার এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা গেছে। 

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আচরণ করা হয়নি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তারা জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তাকর্মীরা চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো ব্যক্তিদের মাথায় নির্মমভাবে আঘাত করছে। একজন মাথায় ঘুষি দিচ্ছে, আরেকজন লাথি মারছে।  

তবে আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আরাকান আর্মির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যায়ভাবে তাদের আটক করা হয়েছে।

আরাকান আর্মি বা এএ হচ্ছে– বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিদ্রোহীদের একটি সংগঠন।  

ভিডিও প্রকাশের পর বন্দি নির্যাতনের কথা স্বীকার করল মিয়ানমার

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ মে ২০২০, ১২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পাঁচ বন্দিকে নির্মমভাবে মারধর করার কথা স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্দি নির্যাতনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এটি স্বীকার করল মিয়ানমার।

দেশটির সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে বুধবার বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগে আটক পাঁচজনকে ২১ এপ্রিল রাখাইন রাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানেই তাদের মারধর করে সাদা পোশাকের নিরাপত্তাকর্মীরা। খবর আলজাজিরার।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাধারণত প্রমাণ হওয়ার পরও তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করে না। কিন্তু এবার এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা গেছে।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আচরণ করা হয়নি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তারা জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তাকর্মীরা চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো ব্যক্তিদের মাথায় নির্মমভাবে আঘাত করছে। একজন মাথায় ঘুষি দিচ্ছে, আরেকজন লাথি মারছে।

তবে আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আরাকান আর্মির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যায়ভাবে তাদের আটক করা হয়েছে।

আরাকান আর্মি বা এএ হচ্ছে– বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিদ্রোহীদের একটি সংগঠন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা