মামলার প্রতিশোধ: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে চীন
jugantor
মামলার প্রতিশোধ: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে চীন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ মে ২০২০, ১৮:০৭:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনামহামারী নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে চীন।বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের স্থানীয় পত্রিকাগুলোর বরাত দিয়ে এ খবর জানায়তুর্কিরসংবাদ মাধ্যম আনাদলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্লোবাল টাইমস জানায়, আমেরিকার চারজন সংসদ সদস্য ও দেশটির দুইটি সংস্থাকে চীন সরকার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রেখেছে।

নিকটতম সূত্রের বরাত দিয়ে বেইজিং ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে মামলা করায় চরম অসন্তুষ্ট হয়েছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র ব্যক্তি, সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা যারা করোনার ক্ষতিপূরণ চেয়ে চীনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে চীনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথম মামলাটি করা হয়েছিল দেশটির মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা হিসেবে প্রথম নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক সিম্থ।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে করোনাভাইরাসের উৎস অনুসন্ধানে আহ্বান জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন পেয়েছে ওয়াশিংটন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বেইজিং।

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছিলেন, উহানের ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে।

এর আগে সোমবার বার বার তদন্তের দাবিকে কটূক্তি করে চীন বলেছে, কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়া এটি বলা অনৈতিক।

মামলার প্রতিশোধ: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে চীন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ মে ২০২০, ০৬:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনামহামারী নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে চীন।বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের স্থানীয় পত্রিকাগুলোর বরাত দিয়ে এ খবর জানায় তুর্কির সংবাদ মাধ্যম আনাদলু।   

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্লোবাল টাইমস জানায়, আমেরিকার চারজন সংসদ সদস্য ও দেশটির দুইটি সংস্থাকে চীন সরকার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রেখেছে।

নিকটতম সূত্রের বরাত দিয়ে বেইজিং ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে মামলা করায় চরম অসন্তুষ্ট হয়েছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র ব্যক্তি, সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা যারা করোনার ক্ষতিপূরণ চেয়ে চীনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে বেইজিং। 

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে চীনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথম মামলাটি করা হয়েছিল দেশটির মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা হিসেবে প্রথম নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক সিম্থ। 

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে করোনাভাইরাসের উৎস অনুসন্ধানে আহ্বান জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন পেয়েছে ওয়াশিংটন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বেইজিং। 

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছিলেন, উহানের ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। 

এর আগে সোমবার বার বার তদন্তের দাবিকে কটূক্তি করে চীন বলেছে, কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়া এটি বলা অনৈতিক। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস