চীনা ভূখণ্ডে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রবেশ, দাবি বেইজিংয়ের

  অনলাইন ডেস্ক ২১ মে ২০২০, ২২:৪১:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

ভারতীয় সেনাবাহিনী। ফাইল ছবি

সম্প্রতি চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। দুই দেশে সেনা সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। আহত হয়েছিল উভয় দেশের সেনাসদস্যরা। এমন যুদ্ধভাপন্ন উত্তেজনার মধ্যেই সীমান্ত অতিক্রম করে চীনা ভূখণ্ডে ভারতীয় সেনাবাহিনী ঢোকার অভিযোগ করেছে বেইজিং।

তবে বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন দাবি নাকচ করে বলা হয়, ভারতীয় সেনারা লাদাখ ও সিকিম সীমান্তের চীনা পাশ দিয়ে গেছে। ভারতের কার্যকলাপ নিজেদের অংশে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএসি) করা হয়েছিল।

বেইজিংয়ের অভিযোগ, ভারতীয় সেনাবাহিনী চীন-ভারত সীমান্তের বাইজিং ও লুজিন ডুয়ান অংশে চীনা ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, চীনা সীমান্ত সেনার সাধারণ টহল বাধাগ্রস্ত করে এবং একতরফাভাবে সীমান্তের স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল। চীনের এমন অভিযোগের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিবৃতি দেয়া হয়।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যেই গালওয়ান নদী এলাকায় সড়ক নির্মাণের বিষয়ে চীনের অব্যাহত আপত্তির কারণে পূর্ব লাদাখে সেনাবাহিনী টহল দিয়েছে। নতুন সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে শওক ও গালওয়ান নদীর সংযোগস্থলে। যা পানগং তসো হৃদের ২০০ কিলোমিটার উত্তরে।

দুই সপ্তাহ আগে পানগং তসোতে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে উত্তেজনার পর ভারত-চীন সীমান্তের উত্তেজনা নতুন করে আলোচানায় আসে। এই ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ মে সিকিমের ৫ হাজার মিটার উচ্চতায় নাকুলা সেক্টরে।

এ ঘটনায় ভারত ও চীনের মধ্যে স্থানীয় কমান্ডার পর্যায়ে পানগং তসোতে দুই দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কোনো রকম ফলাফল ছাড়া বৈঠকের সমাপ্তি ঘটে। পাল্টা ব্যবস্থার হুশিয়ারি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুই দেশের সেনারা।

সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চীন যে নতুন সড়কের নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল, সেটি নদীর দুই পাড়ের দরবুক-শওক-দৌলত বেগ ওল্ডি (ডিএসডিবিও) সড়ক।

খবরে বলা হয়েছে, চীনা সেনাবাহিনী ভারতের কাছাকাছি এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। ৭০-৮০টি তাবু টাঙ্গিয়েছে। পর্যবেক্ষণের জন্য ভারী সরঞ্জামাদি ও যান মোতায়েন করেছে।

তবে সম্প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পানগং তসো এবং গালওয়ান বিরোধপূর্ণ এলাকা নয়। গত দুই বছরেও চীন সেখানে টহল দেয়নি। সড়ক নির্মাণ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সড়কটি আমাদের ভূখন্ডে নির্মাণ করা হচ্ছে। তারপরেও তারা আপত্তি করছে। এটি বোঝা কঠিন।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত