যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড ঘোষণা

  অনলাইন ডেস্ক ১৫ জুন ২০২০, ১৭:২৬:২১ | অনলাইন সংস্করণ

কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে গাড়ি থেকে বের করছে পুলিশ। ছবি: জার্কাতা পোস্ট

কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভের আগুনে ছড়িয়ে পড়ে গোটা যুক্তরাষ্ট্রে। ঠিক এ সময়েই জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব আটলান্টায় আরেক কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে স্থানীয় সময় সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের গুলিতে নিহত রেশার্ড ব্রুকস। তার মৃত্যুকে রোববার হত্যাকাণ্ড ঘোষণা করেছে ফুল্টন কাউন্টি মেডিক্যাল এক্সামিনারস অফিস।খবর-রয়টার্স।

২৫ মে মিনিয়াপোলিসে পুলিশের বর্বোরোচিত নিপীড়নে নিহত জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে গোটা বিশ্বে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার কিছুদিন পরেই ব্রুকসের হত্যাকাণ্ড সেই বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়িয়ে তোলে।

রোববার ময়নাতদন্তের পরে তদন্তকারী মেডিক্যাল এক্সামিনার জানান, ২৭ বছর বয়সী ব্রুকসের গায়ে দুটি বুলেট আঘাত হানলে তিনি আহত হন। এতে রক্তক্ষরণ ও অঙ্গপ্রতঙ্গ কার্যকারিতা হারালে তিনি মারা যান।তার মৃত্যুর পদ্ধতিটি ছিল হত্যাকাণ্ড।

শুক্রবার ওয়েন্ডিজ নামে একটি ফাস্টফুড রেস্তরাঁর সামনে গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ২৭ বছরের রেশার্ড ব্রুকস। রেস্তরাঁর সামনে রাস্তায় এমন ভাবে তার গাড়িটি দাঁড়িয়েছিল, যাতে অন্য গাড়ির যাতায়াত সমস্যা হচ্ছিল। পুলিশকে ফোন করে গোটা বিষয়টি জানান রেস্তরাঁর এক কর্মী।

ফোন পাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় আটলান্টা পুলিশের একটি দল। গাড়ি থেকে ব্রুকসকে টেনে বার করেন তারা। ব্রুকস নেশাগ্রস্ত কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়।

কিন্তু তাতে উত্তীর্ণ হতে না পেরে পুলিশের হাত ছাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করেন ব্রুকস। তাতেই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সেইসময় টেজার নামক বিশেষ অস্ত্রের সাহায্যে ব্রুকসকে অবশ করে দেয়ার চেষ্টা করেন এক পুলিশকর্মী।

ওই পুলিশকর্মীর হাত থেকে অবশ করার অস্ত্রটি ছিনিয়ে নেন ব্রুকস। সেটি নিয়ে পালাতে গেলে তাকে তাড়া করেন দুই পুলিশকর্মী। সেইসময় ঘুরে তাদের দিকে ওই অবশ করার অস্ত্রটি তাক করেন ব্রুকস। তাতেই তাকে লক্ষ্য করে পর পর তিন বার গুলি ছোড়ে পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ব্রুকস। তড়িঘড়ি আটলান্টা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদিও তাদের নাম ও পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

আটলান্টার পুলিশ প্রধান এরিকা শিল্ডস এই ঘটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তার জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে এসেছেন রোডনি ব্রায়ান্ট।

ঘটনাপ্রবাহ : কৃষ্ণাঙ্গ হত্যায় অগ্নিগর্ভ যুক্তরাষ্ট্র

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত