‘৪০ জনের মতো সেনা সদস্য হারিয়েছে চীন’
jugantor
‘৪০ জনের মতো সেনা সদস্য হারিয়েছে চীন’

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জুন ২০২০, ১৮:৫৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

চীন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের কড়া নজরদারী। ছবি: এএফপি

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে চীন অন্ততপক্ষে ৪০ জনের মতো সেনা হারিয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারতের সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ভি. কে. সিং।

শনিবার রাতে ‘টিভি নিউজ টোয়েন্টিফোর’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের (ভারতের) দিকে যদি ২০ জন নিহত হন তবে তাদের (চীনের) অন্ততপক্ষে দ্বিগুণ হতাহত হয়েছে।’ তবে নিজের এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি ভারতীয় সেনাবাহিনীর এ সাবেক প্রধান।

তার দাবি, ভারতের সঙ্গে ১৯৬২ সালের লড়াইসহ কোনো যুদ্ধের হতাহতের কথা মেনে না নেয়ার ইতিহাস চীনের রয়েছে।

গত সোমবার রাতভর সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার সকালে নদীর পূর্ব দিকে কয়েক কিলোমিটার উজানে ভারতীয় সেনা সদস্যদের লাশ ভেসে ওঠে। এ সংঘর্ষে ২৩ ভারতীয় সেনা নিহত হন।

হিমালয় পর্বতের পশ্চিমাংশে প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় গালওয়ান উপত্যকার ওই হাতাহাতি লড়াইয়ে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি চীন।

সংঘর্ষের দিন চীনের হাতে আটক হওয়া ১০ ভারতীয় সেনা সদস্যকে মুক্তি দিয়েছে চীন। তবে চীন দাবি করেছে তারা কোনো ভারতীয় সেনাকে আটক করেনি।

সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় দেশের কূটনৈতিকরা একে অপরকে দোষারোপ করে আসছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, লাদাখের গালওয়ান উপত্যাকা বেইজিংয়ের ভূখণ্ড। সংঘর্ষের স্থানে ভারত একে একে তিন বার সীমান্ত অতিক্রম করেছে।

অপরদিকে ভারতের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে চীন সীমান্তে আক্রমণ চালিয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ভি. কে. সিংয়ের এই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভারত ভূষণ বাবু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


‘৪০ জনের মতো সেনা সদস্য হারিয়েছে চীন’

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জুন ২০২০, ০৬:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চীন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের কড়া নজরদারী। ছবি: এএফপি
চীন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের কড়া নজরদারী। ছবি: এএফপি

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে চীন অন্ততপক্ষে ৪০ জনের মতো সেনা হারিয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারতের সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ভি. কে. সিং। 

শনিবার রাতে ‘টিভি নিউজ টোয়েন্টিফোর’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের (ভারতের) দিকে যদি ২০ জন নিহত হন তবে তাদের (চীনের) অন্ততপক্ষে দ্বিগুণ হতাহত হয়েছে।’ তবে নিজের এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি ভারতীয় সেনাবাহিনীর এ সাবেক প্রধান। 

তার দাবি, ভারতের সঙ্গে ১৯৬২ সালের লড়াইসহ কোনো যুদ্ধের হতাহতের কথা মেনে না নেয়ার ইতিহাস চীনের রয়েছে।  

গত সোমবার রাতভর সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার সকালে নদীর পূর্ব দিকে কয়েক কিলোমিটার উজানে ভারতীয় সেনা সদস্যদের লাশ ভেসে ওঠে। এ সংঘর্ষে ২৩ ভারতীয় সেনা নিহত হন।

হিমালয় পর্বতের পশ্চিমাংশে প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় গালওয়ান উপত্যকার ওই হাতাহাতি লড়াইয়ে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি চীন।

সংঘর্ষের দিন চীনের হাতে আটক হওয়া ১০ ভারতীয় সেনা সদস্যকে মুক্তি দিয়েছে চীন। তবে চীন দাবি করেছে তারা কোনো ভারতীয় সেনাকে আটক করেনি।

সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় দেশের কূটনৈতিকরা একে অপরকে দোষারোপ করে আসছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, লাদাখের গালওয়ান উপত্যাকা বেইজিংয়ের ভূখণ্ড। সংঘর্ষের স্থানে ভারত একে একে তিন বার সীমান্ত অতিক্রম করেছে। 

অপরদিকে ভারতের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে চীন সীমান্তে আক্রমণ চালিয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, ভি. কে. সিংয়ের এই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভারত ভূষণ বাবু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। 


 

 

ঘটনাপ্রবাহ : সীমান্তে চীন-ভারত উত্তেজনা