মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৩
jugantor
মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৩

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ জুলাই ২০২০, ১৭:৩৭:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

নিহতদের উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে একটি জেড পাথরের খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কাচিন প্রদেশের হাপাকান্ত এলাকায় জেড পাথরের খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের ফায়ার সার্ভিস ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছেআলজাজিরা।

এর আগে কর্তৃপক্ষ ৫০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। তখন বলা হয়েছিল খনির ভেতরে আরও ২০০ জন রয়েছে। নিহত ও আটকেপড়াদের সবাই খনি শ্রমিক। তারা সেখানে পাথর সংগ্রহ করছিলেন।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বলা হয়, মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে মোট ১১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

কাচিনের হাপাকান্ত এলাকায় এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। এখানে খনি শ্রমিকদের নিরাপত্তায় তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

সম্প্রতি দেশটিতে বেশ কয়েকবার খনিধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এর আগে গত বছর একটি খনিতে দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান।

অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় মূল্যবান জেড পাথর। সবুজ রঙের প্রায় স্বচ্ছ একটি পাথর। মিয়ানমারেই বিশ্বের সবচেয়ে ভালো জেড পাথর পাওয়া যায়। এ খনিতে জেড পাথর সংগ্রহ করছিলেন শ্রমিকরা।

মিয়ানমারের মোট জিডিপির বড় অংশই আসে জেডশিল্প থেকে। এই পাথরের সবচেয়ে বড় বাজার পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, যেখানে এটিকে ‘স্বর্গের পাথর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৩

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ জুলাই ২০২০, ০৫:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিহতদের উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা
নিহতদের উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে একটি জেড পাথরের খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

কাচিন প্রদেশের হাপাকান্ত এলাকায় জেড পাথরের খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের ফায়ার সার্ভিস ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আলজাজিরা। 

এর আগে কর্তৃপক্ষ ৫০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। তখন বলা হয়েছিল খনির ভেতরে আরও ২০০ জন রয়েছে। নিহত ও আটকেপড়াদের সবাই খনি শ্রমিক। তারা সেখানে পাথর সংগ্রহ করছিলেন। 

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বলা হয়, মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে মোট ১১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

কাচিনের হাপাকান্ত এলাকায় এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। এখানে খনি শ্রমিকদের নিরাপত্তায় তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

সম্প্রতি দেশটিতে বেশ কয়েকবার খনিধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এর আগে গত বছর একটি খনিতে দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান।

অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় মূল্যবান জেড পাথর। সবুজ রঙের প্রায় স্বচ্ছ একটি পাথর। মিয়ানমারেই বিশ্বের সবচেয়ে ভালো জেড পাথর পাওয়া যায়। এ খনিতে জেড পাথর সংগ্রহ করছিলেন শ্রমিকরা।

মিয়ানমারের মোট জিডিপির বড় অংশই আসে জেডশিল্প থেকে। এই পাথরের সবচেয়ে বড় বাজার পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, যেখানে এটিকে ‘স্বর্গের পাথর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।