এবার ভুটানের একটি অঞ্চল দাবি করছে চীন
jugantor
এবার ভুটানের একটি অঞ্চল দাবি করছে চীন

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ জুলাই ২০২০, ২২:২১:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সাকতেং
সাকতেং। ফাইল ছবি

লাদাখে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই চীন এবার প্রতিবেশী ভুটানের পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্তীর্ণ অংশের ওপরও নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করেছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, মূলত ভারতের ওপর আরও চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই ভুটানের সাকতেং অভয়ারণ্যকে নিজেদের বলে দাবি করছে চীন। কারণ ভুটানের অখন্ডতা রক্ষা ও প্রতিরক্ষার জন্য ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ভুটান দিল্লিতে তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে চীনের কাছে একটি ডিমার্শ বা কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছে।

ভুটানের পূর্বদিকে ত্রাশিগিং জেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় প্রায় সাড়ে ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি অভয়ারণ্যের নাম সাকতেং। ওই অঞ্চলটিতে অনেক বিরল বন্য পশুপাখির আবাসভূমি।

মাসখানেক আগে এই বনভূমির উন্নয়নে একটি প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে 'গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটি' বা জিইএফ একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করেছিল- সেখানেই চীন প্রথম দাবি করে সাকতেং তাদের।

বিশ্ব ব্যাংকে ভারতের অন্যতম প্রতিনিধি অপর্ণা সুব্রামনি ওই বৈঠকে ভারত-ভুটান-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা-মালদ্বীপের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন, তিনি চীনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সম্প্রতি ওই অনলাইন বৈঠকের মিনিটস বা কার্যবিবরণী সামনে আসার পরই বোঝা যায় যে ভুটানের সাকতেং-কেও চীন এখন বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের মধ্যে ঢুকিয়ে নিতে চাইছে।

বলা হচ্ছে, বস্তুত ভারতের প্রভাব বলয় থেকে ভুটানকে যতটা সম্ভব বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চীনের দীর্ঘদিনের।

তিন বছর আগে ডোকলাম সঙ্কটের সময় যেভাবে ভারতীয় সেনারা ভুটানের হয়ে চীনা বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল, চীনকে সেটা বেশ অবাকই করেছিল।

তারপরেও অবশ্য ভুটানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করার প্রবল চেষ্টা চালিয়ে গেছে চীন, থিম্পুতে তারা দূতাবাসও খুলতে চেয়েছে বার বার।

এবার ভুটানের একটি অঞ্চল দাবি করছে চীন

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ জুলাই ২০২০, ১০:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাকতেং
সাকতেং। ফাইল ছবি

লাদাখে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই চীন এবার প্রতিবেশী ভুটানের পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্তীর্ণ অংশের ওপরও নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করেছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, মূলত ভারতের ওপর আরও চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই ভুটানের সাকতেং অভয়ারণ্যকে নিজেদের বলে দাবি করছে চীন। কারণ ভুটানের অখন্ডতা রক্ষা ও প্রতিরক্ষার জন্য ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ভুটান দিল্লিতে তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে চীনের কাছে একটি ডিমার্শ বা কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছে।

ভুটানের পূর্বদিকে ত্রাশিগিং জেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় প্রায় সাড়ে ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি অভয়ারণ্যের নাম সাকতেং। ওই অঞ্চলটিতে অনেক বিরল বন্য পশুপাখির আবাসভূমি।

মাসখানেক আগে এই বনভূমির উন্নয়নে একটি প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে 'গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটি' বা জিইএফ একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করেছিল- সেখানেই চীন প্রথম দাবি করে সাকতেং তাদের।

বিশ্ব ব্যাংকে ভারতের অন্যতম প্রতিনিধি অপর্ণা সুব্রামনি ওই বৈঠকে ভারত-ভুটান-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা-মালদ্বীপের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন, তিনি চীনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সম্প্রতি ওই অনলাইন বৈঠকের মিনিটস বা কার্যবিবরণী সামনে আসার পরই বোঝা যায় যে ভুটানের সাকতেং-কেও চীন এখন বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের মধ্যে ঢুকিয়ে নিতে চাইছে।

বলা হচ্ছে, বস্তুত ভারতের প্রভাব বলয় থেকে ভুটানকে যতটা সম্ভব বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চীনের দীর্ঘদিনের।

তিন বছর আগে ডোকলাম সঙ্কটের সময় যেভাবে ভারতীয় সেনারা ভুটানের হয়ে চীনা বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল, চীনকে সেটা বেশ অবাকই করেছিল।

তারপরেও অবশ্য ভুটানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করার প্রবল চেষ্টা চালিয়ে গেছে চীন, থিম্পুতে তারা দূতাবাসও খুলতে চেয়েছে বার বার।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সীমান্তে চীন-ভারত উত্তেজনা