‘জীবিত সোলাইমানির চেয়ে তার চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র’
jugantor
‘জীবিত সোলাইমানির চেয়ে তার চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র’

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ জুলাই ২০২০, ১৫:১১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

‘জীবিত সোলাইমানির চেয়ে তার চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র’
কাসেম সোলাইমানি। ফাইল ছবি

ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে নিয়ে সাবেক মর্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনসহ দেশটির কর্মকর্তাদের কটুক্তির জবাব দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কাসেম সোলাইমানির আকাঙ্ক্ষা ও চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায়। 

শুক্রবার তেহরানে তিনি বলেন, অপরাধীরা তাদের জঘন্য অপরাধের ব্যাখ্যা দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেই; এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু যে বিষয়টি চরম দুঃখজনক ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্র্যাজ্যবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ তা হচ্ছে, দেশটি সোলাইমানি হত্যা তদন্ত নিয়ে জাতিসংঘের মত প্রধান বিশ্ব সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কেও ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দিতে ছাড়েনি।

ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, সোলাইমানি কতটা উন্নত চরিত্রের অধিকারী ছিলেন তা বোঝার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সবচেয়ে ইতর প্রকৃতির কিছু মানুষ ও আইন ভঙ্গকারী কিছু দেশ তার শত্রু ছিল।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাগনেস ক্যালামার্ড তার তদন্ত প্রতিবেদনে জানান, কাসেম সোলাইমানিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ ঘোষণা লংঘন করেছে। এ ঘটনার বিচার হতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগ্যান অর্থাগুজ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার জাতিসংঘের এই তদন্ত প্রতিবেদনকে প্রত্যাখান করেছেন। এ ছাড়া, সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে গেছে; কাজেই ওই পরিষদের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ নয় ওয়াশিংটন।

‘জীবিত সোলাইমানির চেয়ে তার চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র’

 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ জুলাই ২০২০, ০৩:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘জীবিত সোলাইমানির চেয়ে তার চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র’
কাসেম সোলাইমানি। ফাইল ছবি

ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে নিয়ে সাবেক মর্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনসহ দেশটির কর্মকর্তাদের কটুক্তির জবাব দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কাসেম সোলাইমানির আকাঙ্ক্ষা ও চিন্তাধারাকে বেশি ভয় পায়।

শুক্রবার তেহরানে তিনি বলেন, অপরাধীরা তাদের জঘন্য অপরাধের ব্যাখ্যা দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেই; এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু যে বিষয়টি চরম দুঃখজনক ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্র্যাজ্যবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ তা হচ্ছে, দেশটি সোলাইমানি হত্যা তদন্ত নিয়ে জাতিসংঘের মত প্রধান বিশ্ব সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কেও ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দিতে ছাড়েনি।

ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, সোলাইমানি কতটা উন্নত চরিত্রের অধিকারী ছিলেন তা বোঝার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সবচেয়ে ইতর প্রকৃতির কিছু মানুষ ও আইন ভঙ্গকারী কিছু দেশ তার শত্রু ছিল।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাগনেস ক্যালামার্ড তার তদন্ত প্রতিবেদনে জানান, কাসেম সোলাইমানিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ ঘোষণা লংঘন করেছে। এ ঘটনার বিচার হতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগ্যান অর্থাগুজ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার জাতিসংঘের এই তদন্ত প্রতিবেদনকে প্রত্যাখান করেছেন। এ ছাড়া, সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে গেছে; কাজেই ওই পরিষদের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ নয় ওয়াশিংটন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানি শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত