২২ লাখ টাকা দামের পিস্তলসহ দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার
jugantor
২২ লাখ টাকা দামের পিস্তলসহ দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ জুলাই ২০২০, ১০:২২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের জালে ধরা পড়েছে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সহযোগী আনওয়ার ঠাকুর।

শনিবার দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার একটি টিম রাজধানীর চাঁদবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

মুম্বাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ফেরারি আসামি ছিলেন আনওয়ার ঠাকুর।

পুলিশ জানিয়েছে, যাবজ্জীবনের আসামি আনওয়ার ঠাকুরের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে।

জানা গেছে, জব্দ করা সেমি-অটোমেটিক পিস্তলটি ব্রাজিলের তৈরি। ভারতীয় মুদ্রায় যার দাম ২২ লাখ টাকা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে, ১৯৯২ সালে দিল্লির সদর বাজার থানায় ঢুকে পুলিশের এক সোর্সকে গুলি করে হত্যা করেছিল আনওয়ার ঠাকুর। আদালতে তার যাবজ্জীবন সাজা হয়।

কিন্তু প্যারোলে কিছু দিনের জন্য ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করে দাউদ ইব্রাহিমের এই সহযোগী। এরপর থেকে সে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল।

পুলিশের দাবি, দিল্লির উত্তরপূর্ব জেলার চেনু গ্যাংকে পুনরায় সক্রিয় করে তোলার পেছনে হাত রয়েছে আনওয়ার ঠাকুরের।

প্রসঙ্গত ২০০২ সালে আনওয়ার ঠাকুরের ছয় ভাইয়ের মধ্যে একজন আশরাফ মুম্বাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। আশরাফও দাউদের হয়ে কাজ করত।

২২ লাখ টাকা দামের পিস্তলসহ দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ জুলাই ২০২০, ১০:২২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের জালে ধরা পড়েছে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সহযোগী আনওয়ার ঠাকুর। 

শনিবার দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার একটি টিম রাজধানীর চাঁদবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। 

মুম্বাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ফেরারি আসামি ছিলেন আনওয়ার ঠাকুর। 

পুলিশ জানিয়েছে, যাবজ্জীবনের আসামি আনওয়ার ঠাকুরের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। 

জানা গেছে, জব্দ করা সেমি-অটোমেটিক পিস্তলটি ব্রাজিলের তৈরি। ভারতীয় মুদ্রায় যার দাম ২২ লাখ টাকা। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে, ১৯৯২ সালে দিল্লির সদর বাজার থানায় ঢুকে পুলিশের এক সোর্সকে গুলি করে হত্যা করেছিল আনওয়ার ঠাকুর। আদালতে তার যাবজ্জীবন সাজা হয়। 

কিন্তু প্যারোলে কিছু দিনের জন্য ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করে দাউদ ইব্রাহিমের এই সহযোগী। এরপর থেকে সে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল।

পুলিশের দাবি, দিল্লির উত্তরপূর্ব জেলার চেনু গ্যাংকে পুনরায় সক্রিয় করে তোলার পেছনে হাত রয়েছে আনওয়ার ঠাকুরের।

প্রসঙ্গত ২০০২ সালে আনওয়ার ঠাকুরের ছয় ভাইয়ের মধ্যে একজন আশরাফ মুম্বাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। আশরাফও দাউদের হয়ে কাজ করত।