সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল
jugantor
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ জুলাই ২০২০, ১২:৪৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলে হাজার হাজার মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না– এ অভিযোগ তুলে তেলআবিবের রবিন স্কয়ারে মাস্ক পরে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। খবর বিবিসির।

তাদের দাবি, করোনাকালে সরকারঘোষিত প্রণোদনা দিতে দেরি করা হচ্ছে। 

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

করোনা পরিস্থিতিতে বেকার হয়ে চরম অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে শেষ পর্যন্ত তারা রাস্তায় নেমেছেন বলে বিক্ষোভকারীরা জানান।

সরকারি প্রকল্পের টাকা দিতে দেরি করায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে বলে জানান।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শব্দযন্ত্র ও আলোসজ্জার কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মিশেল গেইস্ট কাসিফ বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে ৪০ কর্মী আছে। কয়েক মাস ধরে তাদের বেতন দিতে পারছি না।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত সরকারের উচিত আমাদের আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে টিকিয়ে রাখা।

মার্চ থেকে এ পর্যন্ত তার কর্মীদের বেতন দিতে পারছেন না বলে জানান মিশেল গেইস্ট।

ইহুদিবাদী দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেয়ার কথা জানালেও আন্দোলন থামছে না।

ইসরাইলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে করোনার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর লকডাউন জারি করা হয়। ফলে দেশটিতে বেকারত্ব বেড়ে ২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। করোনায় এ পর্যন্ত ৩৫৪ জন মারা গেছে ইসরাইলে।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ জুলাই ২০২০, ১২:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলে হাজার হাজার মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না– এ অভিযোগ তুলে তেলআবিবের রবিন স্কয়ারে মাস্ক পরে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। খবর বিবিসির।

তাদের দাবি, করোনাকালে সরকারঘোষিত প্রণোদনা দিতে দেরি করা হচ্ছে।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

করোনা পরিস্থিতিতে বেকার হয়ে চরম অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে শেষ পর্যন্ত তারা রাস্তায় নেমেছেন বলে বিক্ষোভকারীরা জানান।

সরকারি প্রকল্পের টাকা দিতে দেরি করায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে বলে জানান।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শব্দযন্ত্র ও আলোসজ্জার কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মিশেল গেইস্ট কাসিফ বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে ৪০ কর্মী আছে। কয়েক মাস ধরে তাদের বেতন দিতে পারছি না।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত সরকারের উচিত আমাদের আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে টিকিয়ে রাখা।

মার্চ থেকে এ পর্যন্ত তার কর্মীদের বেতন দিতে পারছেন না বলে জানান মিশেল গেইস্ট।

ইহুদিবাদী দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেয়ার কথা জানালেও আন্দোলন থামছে না।

ইসরাইলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে করোনার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর লকডাউন জারি করা হয়। ফলে দেশটিতে বেকারত্ব বেড়ে ২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। করোনায় এ পর্যন্ত ৩৫৪ জন মারা গেছে ইসরাইলে।