অযোধ্যা ও রাম নিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নতুন দাবি, ক্ষুব্ধ ভারত

  যুগান্তর ডেস্ক ১৪ জুলাই ২০২০, ১৯:২৮:২৯ | অনলাইন সংস্করণ

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। ছবি: বিবিসি

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম অবতার রাম নেপালের রাজপুত্র ছিলেন এবং অযোধ্যর অবস্থান নেপালেই ছিল বলে দাবি করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।

লাখ লাখ হিন্দু ভগবান রামের জন্মস্থান বলে যে প্রাচীন শহর অযোধ্যাকে বিশ্বাস করেন তা আসলে কাঠমাণ্ডুর কাছে অবস্থিত একটি ছোট্ট গ্রাম। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

ভারতকে সাংস্কৃতিক নিপীড়ন ও আগ্রাসনের জন্য অভিযুক্ত করে নিজের বাসভবনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় কেপি শর্মা ওলি বলেন, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নেপালের অবদানের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী এমন সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেপালের বিরোধ চলছে।

কেপি শর্মার এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ভারতের গণমাধ্যমেও তার বক্তব্যকে ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখনো মনে করি, আমরা (নেপালিরা) সীতাকে ভারতের রাজপুত্র রামের কাছে তুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা দিয়েছিলাম অযোধ্যার রাজপুত্র রামের কাছে, ভারতের রামের কাছে নয়। অযোধ্যা হলো বীরগঞ্জের খানিকটা পশ্চিমের একটি গ্রাম। সেটা এখন আর অযোধ্যা নামে নেই।

কেপি শর্মা ওলি আরও প্রশ্ন তোলেন যে, রাম যদি ভারতেই থাকতেন, তাহলে কীভাবে অযোধ্যার রাজার পুত্র জনকপুরে বিয়ে করতে আসেন?

তিনি বলেন, জনকপুর (সীতার জন্মস্থান) যদি এখানে থাকে আর অযোধ্যা যদি সেখানে (ভারতে) থাকে, তাহলে তাদের বিয়েটা কীভাবে হলো? সেই আমলে কী কারো পক্ষে এটা করা সম্ভব ছিল? সেই সময়ে টেলিফোন-মোবাইল ছিল না! তাহলে কীভাবে (এই রাজকন্যার ব্যাপারে তিনি) জানলেন? সেটা জানার কোন সম্ভাবনা ছিল না।

দু’দেশের মধ্যে সংশোধিত রাজনৈতিক মানচিত্রকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। নেপাল ভারতের ভূখণ্ড দাবি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস এবং লিম্পিয়াধুরা ও কালাপানি অঞ্চল।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত