স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুয়েতের ১৫৫ মসজিদে জুমার নামাজ আদায়
jugantor
স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুয়েতের ১৫৫ মসজিদে জুমার নামাজ আদায়

  সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে  

২২ জুলাই ২০২০, ২১:২৩:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কুয়েতে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দেশটির সব মসজিদ এখন খুলে দেয়া হয়েছে।

করোনাকালে কুয়েতে  স্বাভাবিক জীবনে ফেরার তাগিদে পাঁচ ধাপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সরকার। এরই অংশ হিসেবে আগেই মসজিদে ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। শুক্রবার মসজিদগুলো খুলে দেয়া হয় জুমার নামাজ আদায়ের জন্য। এ অনুমতি দিয়েছে দেশটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (আওয়াকাফ)।

মোট ১৫৫টি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন স্থানীয়সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।

শরীরের তাপমাত্রা চেক করার পর মসজিদে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। মুসল্লিরা মসজিদে গমনের জন্য বাসায় অজু সম্পন্ন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জায়নামাজসহ মসজিদে আসতে হবে। নামাজের ৩০ মিনিট আগে মসজিদ খোলা হবে।

তবে যেসব মসজিদগুলোতে বাংলা ভাষাসহ বিভিন্ন দেশের ভাষায় জুমার খুতবা পাঠ করা হতো সেটা পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রত্যেক মসজিদে আরবি ভাষায় খুতবা পাঠ করা হয়।
 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুয়েতের ১৫৫ মসজিদে জুমার নামাজ আদায়

 সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে 
২২ জুলাই ২০২০, ০৯:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কুয়েতে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দেশটির সব মসজিদ এখন খুলে দেয়া হয়েছে।

করোনাকালে কুয়েতে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার তাগিদে পাঁচ ধাপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সরকার। এরই অংশ হিসেবে আগেই মসজিদে ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। শুক্রবার মসজিদগুলো খুলে দেয়া হয় জুমার নামাজ আদায়ের জন্য। এ অনুমতি দিয়েছে দেশটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (আওয়াকাফ)।

মোট ১৫৫টি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন স্থানীয়সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।

শরীরের তাপমাত্রা চেক করার পর মসজিদে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। মুসল্লিরা মসজিদে গমনের জন্য বাসায় অজু সম্পন্ন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জায়নামাজসহ মসজিদে আসতে হবে। নামাজের ৩০ মিনিট আগে মসজিদ খোলা হবে।

তবে যেসব মসজিদগুলোতে বাংলা ভাষাসহ বিভিন্ন দেশের ভাষায় জুমার খুতবা পাঠ করা হতো সেটা পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রত্যেক মসজিদে আরবি ভাষায় খুতবা পাঠ করা হয়।