সুদানে বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ গ্রামবাসী নিহত
jugantor
সুদানে বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ গ্রামবাসী নিহত

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ জুলাই ২০২০, ১৫:৩৯:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সুদানের দক্ষিণ দারফুর রাজ্যের একটি গ্রামে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ২০ জন মারা গেছেন।

এ ঘটনায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গোত্রপ্রধানরা। এলাকাটি দক্ষিণ দারফুরের রাজধানী নিয়ালা থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে। খবর আলজাজিরার।

স্থানীয় এক নেতা শনিবার জানান, ঘোড়া ও উটে চড়ে হামলাকারীরা উমদস এলাকায় গ্রামবাসীর ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, কয়েক বছর আগে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে আমাদের জমিগুলো দখল করে নিয়েছিল। আর এখন তারা আমাদের বাড়ি ও খামার দখল করতে এসেছে।

২০০৩ সালে প্রধানত অনারব বিদ্রোহীরা খার্তুম সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে সুদানের দারফুর অঞ্চলজুড়ে সংঘাত শুরু হয়। বিদ্রোহ দমন করতে মাঠে নামে সরকারি বাহিনীগুলো ও প্রধানত আবর মিলিশিয়ারা।

এই দুটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওই অঞ্চলে ব্যাপক নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ আছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এ সংঘাতে প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়েছেন।

দেশটির সাবেক একনায়ক ওমর আল বশিরের পতনের পর সামরিক বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সুদানের ক্ষমতায় থাকা বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিরোধ অবসানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা বশির সরকারবিরোধী বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

দারফুরে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বশিরকে ফেরারি ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

গত বছরের এপ্রিলে বশিরের পতন হয়, তা সত্ত্বেও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা দারফুর অঞ্চলের রাজ্যগুলোর গর্ভনরের পদ ধরে রেখেছিলেন।

গত সপ্তাহে তাদের বদলে বেসামরিক গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধান এ দাবিটি পূরণ হওয়ায় ওই অঞ্চলে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুদানে বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ গ্রামবাসী নিহত

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ জুলাই ২০২০, ০৩:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুদানের দক্ষিণ দারফুর রাজ্যের একটি গ্রামে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ২০ জন মারা গেছেন।

এ ঘটনায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গোত্রপ্রধানরা। এলাকাটি দক্ষিণ দারফুরের রাজধানী নিয়ালা থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে। খবর আলজাজিরার।

স্থানীয় এক নেতা শনিবার জানান, ঘোড়া ও উটে চড়ে হামলাকারীরা উমদস এলাকায় গ্রামবাসীর ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, কয়েক বছর আগে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে আমাদের জমিগুলো দখল করে নিয়েছিল। আর এখন তারা আমাদের বাড়ি ও খামার দখল করতে এসেছে।

২০০৩ সালে প্রধানত অনারব বিদ্রোহীরা খার্তুম সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে সুদানের দারফুর অঞ্চলজুড়ে সংঘাত শুরু হয়। বিদ্রোহ দমন করতে মাঠে নামে সরকারি বাহিনীগুলো ও প্রধানত আবর মিলিশিয়ারা।

এই দুটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওই অঞ্চলে ব্যাপক নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ আছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এ সংঘাতে প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়েছেন।

দেশটির সাবেক একনায়ক ওমর আল বশিরের পতনের পর সামরিক বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সুদানের ক্ষমতায় থাকা বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিরোধ অবসানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা বশির সরকারবিরোধী বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

দারফুরে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বশিরকে ফেরারি ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

গত বছরের এপ্রিলে বশিরের পতন হয়, তা সত্ত্বেও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা দারফুর অঞ্চলের রাজ্যগুলোর গর্ভনরের পদ ধরে রেখেছিলেন।

গত সপ্তাহে তাদের বদলে বেসামরিক গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধান এ দাবিটি পূরণ হওয়ায় ওই অঞ্চলে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।