ভারতে মেয়ের স্মরণসভায় জামাইয়ের মাথা কাটল শ্বশুর! 
jugantor
ভারতে মেয়ের স্মরণসভায় জামাইয়ের মাথা কাটল শ্বশুর! 

  অনলাইন ডেস্ক  

১০ আগস্ট ২০২০, ১৪:০১:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

খুন

ভারতে শ্বশুরের হাতে এক যুবক খুন হয়েছেন। মেয়ে হত্যার প্রতিশোধ নিতে জামাইকে হত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।

শনিবার পূর্ব গোদাবরী জেলার ধারা জগন্নাধাপুরম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম লাচছানা। ঘটনার দিন মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়ি যেতেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেন তার শ্বশুর পাল্লা সত্যনারায়ণ।

শুধু তাই নয়, জামাইয়ের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে সেই কাটা মুণ্ড নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ওই ব্যক্তি।

জিজ্ঞাসাবাদে সত্যনারায়ণ পুলিশকে জানিয়েছেন, ১০ মাস আগে তার মেয়েকে খুন করে তার স্বামী। দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য নিজের স্ত্রীকে খুন করে সে। সেই কারণেই ঘাতক জামাইকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চাইছিলেন তিনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তার জামাই স্ত্রীকে খুন করার পর দুই কন্যাকেও খুন করতে চেয়েছিল। দুই কন্যা মা মারা যাওয়ার পর দাদু সত্যনারায়ণের কাছেই থাকত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, মেয়ে পাবণির মৃত্যুর ১০ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় জামাইকে বাড়িতে ডেকেছিল সত্যনারায়ণ। সেই সময় লাচছানা মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে যায়।

নেশার ঘোরে দ্বিতীয় বার বিয়ে করার জন্য সে তার স্ত্রীকে নিজে হাতে খুন করার কথা স্বীকার করেন লাচছানা। তার দুই কন্যাকে দাদুর বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তাদেরও খুন করবে বলে হুশিয়ারি দেন তিনি।

আর একথা শুনেই সত্যনারায়ণ মাথার ঠিক রাখতে পারেননি। একটি ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন তার জামইয়ের ওপর। এক কোপে তার ধড়-মুণ্ড আলাদা করে দেন সত্যনারায়ণ।

এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। সত্যনারায়ণ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

ভারতে মেয়ের স্মরণসভায় জামাইয়ের মাথা কাটল শ্বশুর! 

 অনলাইন ডেস্ক 
১০ আগস্ট ২০২০, ০২:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খুন
প্রতীকী ছবি

ভারতে শ্বশুরের হাতে এক যুবক খুন হয়েছেন। মেয়ে হত্যার প্রতিশোধ নিতে জামাইকে হত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। 

শনিবার পূর্ব গোদাবরী জেলার ধারা জগন্নাধাপুরম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতের নাম লাচছানা। ঘটনার দিন মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়ি যেতেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেন তার শ্বশুর পাল্লা সত্যনারায়ণ। 

শুধু তাই নয়, জামাইয়ের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে সেই কাটা মুণ্ড নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ওই ব্যক্তি।

জিজ্ঞাসাবাদে সত্যনারায়ণ পুলিশকে জানিয়েছেন, ১০ মাস আগে তার মেয়েকে খুন করে তার স্বামী। দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য নিজের স্ত্রীকে খুন করে সে। সেই কারণেই ঘাতক জামাইকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চাইছিলেন তিনি। 

তিনি আরও জানিয়েছেন, তার জামাই স্ত্রীকে খুন করার পর দুই কন্যাকেও খুন করতে চেয়েছিল। দুই কন্যা মা মারা যাওয়ার পর দাদু সত্যনারায়ণের কাছেই থাকত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, মেয়ে পাবণির মৃত্যুর ১০ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় জামাইকে বাড়িতে ডেকেছিল সত্যনারায়ণ। সেই সময় লাচছানা মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে যায়। 

নেশার ঘোরে দ্বিতীয় বার বিয়ে করার জন্য সে তার স্ত্রীকে নিজে হাতে খুন করার কথা স্বীকার করেন লাচছানা। তার দুই কন্যাকে দাদুর বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তাদেরও খুন করবে বলে হুশিয়ারি দেন তিনি। 

আর একথা শুনেই সত্যনারায়ণ মাথার ঠিক রাখতে পারেননি। একটি ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন তার জামইয়ের ওপর।  এক কোপে তার ধড়-মুণ্ড আলাদা করে দেন সত্যনারায়ণ।

এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। সত্যনারায়ণ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।