তিন মুসলিম দেশকে ধন্যবাদ দিলেন নেতানিয়াহু
jugantor
তিন মুসলিম দেশকে ধন্যবাদ দিলেন নেতানিয়াহু

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ আগস্ট ২০২০, ২২:৩৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি

আমিরাতের সঙ্গে ইসরাইলের চুক্তিকে সমর্থন করায় মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাতেহ সিসিসহ তিন মুসলিম দেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক চুক্তিতে সমর্থন করায় মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাতেহ সিসিকে ধন্যবাদ জানাই। এছাড়াও বাহরাইন ও ওমানকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের বলয় আরও সম্প্রসারণ করে এ অঞ্চলে শান্তির আবহ তৈরি করব।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত, হোয়াইট হাউজের রাষ্ট্রদূত ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ওথাইবাকে ধন্যবাদ জানাই। তারা একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ শান্তি চুক্তিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন।   

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজকে ইসরাইলে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন। আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

শুক্রবার ইসরাইলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আনাদলু নিউজ।

খবরে বলা হয়, ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আবধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানকে ইহুদীবাদী ওই রাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আর ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিভলিন এক টুইটবার্তায় বলেন, এই চুক্তি ইসরাইল ও আরব আমিরাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার মাইলফলক। আমি আশা করি আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মাঝেও পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই দেশের মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে ঐতিহাসিক চুক্তি করে। এটি ইসরায়েলের সঙ্গে তৃতীয় কোন আরব রাষ্ট্রের শান্তি চুক্তি। এর আগে মিসর ১৯৭৯ সালে এবং জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে।

চুক্তির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আবুধাবীর ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির অগ্রযাত্রায় সাহায্য করবে। দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিনিময়ে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা ইসরাইলের অংশ করে নেয়ার কাজ আপাতত স্থগিত রাখবে।’

তবে পশ্চিম তীরের দিকে যে ইসরাইলের চোখ এখনও আছে তা নেতানিয়াহুর পরবর্তী ভাষণে স্পষ্ট হয়েছে।

এএফপির খবরে বলা হয়, নেতানিয়াহু এক টেলিভিশন বক্তৃতায় বলেছেন, পশ্চিম তীরে দখলের বিষয়টি স্থগিত হয়েছে, তবে তা বাতিল করা হয়নি। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমির অধিকার ত্যাগ করতে পারব না’।

তিন মুসলিম দেশকে ধন্যবাদ দিলেন নেতানিয়াহু

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি

আমিরাতের সঙ্গে ইসরাইলের চুক্তিকে সমর্থন করায় মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাতেহ সিসিসহ তিন মুসলিম দেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক চুক্তিতে সমর্থন করায় মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাতেহ সিসিকে ধন্যবাদ জানাই। এছাড়াও বাহরাইন ও ওমানকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের বলয় আরও সম্প্রসারণ করে এ অঞ্চলে শান্তির আবহ তৈরি করব।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত, হোয়াইট হাউজের রাষ্ট্রদূত ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ওথাইবাকে ধন্যবাদ জানাই। তারা একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ শান্তি চুক্তিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজকে ইসরাইলে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন। আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

শুক্রবার ইসরাইলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আনাদলু নিউজ।

খবরে বলা হয়, ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আবধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানকে ইহুদীবাদী ওই রাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আর ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিভলিন এক টুইটবার্তায় বলেন, এই চুক্তি ইসরাইল ও আরব আমিরাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার মাইলফলক। আমি আশা করি আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মাঝেও পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই দেশের মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে ঐতিহাসিক চুক্তি করে। এটি ইসরায়েলের সঙ্গে তৃতীয় কোন আরব রাষ্ট্রের শান্তি চুক্তি। এর আগে মিসর ১৯৭৯ সালে এবং জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে।

চুক্তির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আবুধাবীর ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির অগ্রযাত্রায় সাহায্য করবে। দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিনিময়ে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা ইসরাইলের অংশ করে নেয়ার কাজ আপাতত স্থগিত রাখবে।’

তবে পশ্চিম তীরের দিকে যে ইসরাইলের চোখ এখনও আছে তা নেতানিয়াহুর পরবর্তী ভাষণে স্পষ্ট হয়েছে।

এএফপির খবরে বলা হয়, নেতানিয়াহু এক টেলিভিশন বক্তৃতায় বলেছেন, পশ্চিম তীরে দখলের বিষয়টি স্থগিত হয়েছে, তবে তা বাতিল করা হয়নি। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমির অধিকার ত্যাগ করতে পারব না’।

 

ঘটনাপ্রবাহ : আরব আমিরাত-ইসরাইল সম্পর্ক

আরও খবর