লেবাননের বিস্ফোরণ কি শুধুই দুর্ঘটনা? 
jugantor
লেবাননের বিস্ফোরণ কি শুধুই দুর্ঘটনা? 

  মোহাম্মদ তৌহিদ, (বেইজিং) চীন থেকে  

১৭ আগস্ট ২০২০, ২০:৪৩:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ৪ অগাস্ট লেবাননের রাজধানী বৈরুত জুড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ছড়িয়ে পড়ে। এক দুর্ঘটনায় দেড় শতাধিক মানুষ মারা যায় এবং কয়েক হাজার আহত হয়; এ সময় নিখোঁজ হয় অসংখ্য মানুষ। শহরটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অঞ্চলসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে।

দেশটির জাতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কাউন্সিল জানায় যে, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সংরক্ষণাগারই মূলত এ দুর্ঘটনার কারণ। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামাদ হাসান এ ঘটনাটিকে "বিশ্বের ভয়াবহ বিপর্যয়" বলে বর্ণনা করেছেন এবং মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন।

সরকারি কর্মকর্তারা যখন বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান করছেন, তখন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এ বিস্ফোরণটি অতীতের ‘ইসরায়েলি ধাঁচের অভিযানের’ সঙ্গে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেল আভিভ এ দুর্ঘটনার এক নম্বর সুবিধাভোগী। তারা বিশ্বাস করেন, এই বিপর্যয়কর বিস্ফোরণে ইসরাইলের হাত থাকা অসম্ভব নয়। খোদ ইসরাইলের এক ধর্মীয় নেতা প্রকাশ্যে ইহুদিদের সমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ দুর্ঘটনার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদও জানান।

এ বেদনাদায়ক ঘটনার সবচেয়ে খারাপ সময় এখনও আসেনি। দেশটি ইতোমধ্যে বিপর্যয়-পরবর্তী সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার পর লেবাননে হাইপার-ইনফ্ল্যাশন এবং গুরুতর অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, চলমান রাজনৈতিক অশান্তি এবং করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অবশ্যই এই দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতির হালে বাতাস দেবে।

আমরা দেখেছি, অক্টোবরের পর থেকে, মার্কিন ডলারের তুলনায় লেবানিজ পাউন্ডের মূল্য প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। ফলে ব্যাংকিং খাতে ‘মূলধন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ নেওয়া হয়। বৈদেশিক মুদ্রার সামগ্রিক ঘাটতির কারণে দেশের খাদ্যপণ্য সহ অন্যান্য পণ্য আমদানি রীতিমতো কঠিন করে তুলেছে।

এসবগুলো বাস্তবতা দেশটিকে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে দিচ্ছে, সেদিকে এবার নজর দেওয়া যাক। গত মে মাসের শেষ দিকে দেশটির বেকারত্ব ছিল ৩০ শতাংশের বেশি; খাদ্যপণ্যে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ১৯০ শতাংশ; ব্যাপক আকারে ব্যবসায়-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, বৈরুতের কিছু কিছু অংশে দৈনিক ২০ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না।

পাশাপাশি, বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির মতো সমস্যা তো রয়েছেই। লেবাননের প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে; অথচ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার দোহাই দিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্বব্যাংকসহ অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দেশটিকে সহায়তা দিতে এগিয়ে আসছে না।

এ অবস্থায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। নব্য-উদারনীতির (নিওলিবারেলিজম) বিরুদ্ধে গত বছরের অক্টোবরে লেবাননের যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তাতে হতাশা ও ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা গেছে। কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক নেতাদের দেশটির অচলাবস্থা নিরসন করা, নতুন সরকার গঠনে ব্যর্থ হওয়া এবং জনগণের দাবি পূরণ অথবা, সংস্কার করতে ব্যর্থ হওয়া- দেশটির জন্য এখন আর নতুন কিছু নয়।

নাজুক এ ব্যবস্থার মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। নড়বড়ে অর্থনীতির কাঠামোর মধ্যে দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি ধরে প্রবল ঝাঁকুনি দিয়েছে কোভিড-১৯। ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ হোক না-হোক, লকডাউনের ডামাডোলে লেবাননের অর্থনীতি আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে যখন বহিঃশক্তির সহযোগিতার হাত প্রয়োজন, তখন তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ‘নিজে সহযোগিতা না করা এবং অন্যকে সহযোগিতা করতে না দেওয়া’ বর্তমান আধিপত্যবাদী পশ্চিমাগোষ্ঠীর বিশেষ কৌশল। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা অনেক দেশের মতো লেবাননেও সে ভূমিকাই পালন করছে। গত জুলাই মাসে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ মানবিক ত্রাণবাহী ইরানি জাহাজকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপে থামিয়ে দেওয়া হয়।

আরও বিস্তৃতভাবে দেখলে, ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলোর কারণে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বাণিজ্যিক তৎপরতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; যা লেবাননের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমিয়ে দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, দেশটির এমন অবস্থায় শুধু অব্যবস্থাপনার কারণেও যদি লেবাননের এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তাকে নিছক দুর্ঘটনা বলা যায় কিনা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি দেশটির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ‘নিষেধাজ্ঞা’ ও ‘আধিপত্যবাদী আচরণের’ কর্মফল মাত্র। একটি দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপতৎপরতার সফলতা এই দুর্ঘটনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ওয়াশিংটন মূলত এরকম সফলতাই অর্জন করতে চায়।

এ অবস্থায় সচেতন রাষ্ট্রসহ বিশ্বের সচেতন মানুষ দাবি জানায়, লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবশ্যই মার্কিন হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং লেবানন সরকার ও তার জনগণকে নিজেদের ভাগ্য গঠনের সুযোগ দিতে হবে। অবশ্যই লেবাননকে আরেকটি ‘ক্ষতবিক্ষত সিরিয়া’ হিসেবে দেখতে চাই না আমরা।

মোহাম্মদ তৌহিদ, বিদেশি বিশেষজ্ঞ, চায়না মিডিয়া গ্রুপ, বেইজিং, [email protected]

লেবাননের বিস্ফোরণ কি শুধুই দুর্ঘটনা? 

 মোহাম্মদ তৌহিদ, (বেইজিং) চীন থেকে 
১৭ আগস্ট ২০২০, ০৮:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ৪ অগাস্ট লেবাননের রাজধানী বৈরুত জুড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ছড়িয়ে পড়ে। এক দুর্ঘটনায় দেড় শতাধিক মানুষ মারা যায় এবং কয়েক হাজার আহত হয়; এ সময় নিখোঁজ হয় অসংখ্য মানুষ। শহরটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অঞ্চলসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে।

দেশটির জাতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কাউন্সিল জানায় যে, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সংরক্ষণাগারই মূলত এ দুর্ঘটনার কারণ। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামাদ হাসান এ ঘটনাটিকে "বিশ্বের ভয়াবহ বিপর্যয়" বলে বর্ণনা করেছেন এবং মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন।

সরকারি কর্মকর্তারা যখন বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান করছেন, তখন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এ বিস্ফোরণটি অতীতের ‘ইসরায়েলি ধাঁচের অভিযানের’ সঙ্গে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেল আভিভ এ দুর্ঘটনার এক নম্বর সুবিধাভোগী। তারা বিশ্বাস করেন, এই বিপর্যয়কর বিস্ফোরণে ইসরাইলের হাত থাকা অসম্ভব নয়। খোদ ইসরাইলের এক ধর্মীয় নেতা প্রকাশ্যে ইহুদিদের সমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ দুর্ঘটনার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদও জানান। 

এ বেদনাদায়ক ঘটনার সবচেয়ে খারাপ সময় এখনও আসেনি। দেশটি ইতোমধ্যে বিপর্যয়-পরবর্তী সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার পর লেবাননে হাইপার-ইনফ্ল্যাশন এবং গুরুতর অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, চলমান রাজনৈতিক অশান্তি এবং করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অবশ্যই এই দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতির হালে বাতাস দেবে।

আমরা দেখেছি, অক্টোবরের পর থেকে, মার্কিন ডলারের তুলনায় লেবানিজ পাউন্ডের মূল্য প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। ফলে ব্যাংকিং খাতে ‘মূলধন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ নেওয়া হয়। বৈদেশিক মুদ্রার সামগ্রিক ঘাটতির কারণে দেশের খাদ্যপণ্য সহ অন্যান্য পণ্য আমদানি রীতিমতো কঠিন করে তুলেছে।

এসবগুলো বাস্তবতা দেশটিকে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে দিচ্ছে, সেদিকে এবার নজর দেওয়া যাক। গত মে মাসের শেষ দিকে দেশটির বেকারত্ব ছিল ৩০ শতাংশের বেশি; খাদ্যপণ্যে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ১৯০ শতাংশ; ব্যাপক আকারে ব্যবসায়-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, বৈরুতের কিছু কিছু অংশে দৈনিক ২০ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না। 

পাশাপাশি, বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির মতো সমস্যা তো রয়েছেই। লেবাননের প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে; অথচ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার দোহাই দিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্বব্যাংকসহ অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দেশটিকে সহায়তা দিতে এগিয়ে আসছে না।

এ অবস্থায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। নব্য-উদারনীতির (নিওলিবারেলিজম) বিরুদ্ধে গত বছরের অক্টোবরে লেবাননের যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তাতে হতাশা ও ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা গেছে। কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক নেতাদের দেশটির অচলাবস্থা নিরসন করা, নতুন সরকার গঠনে ব্যর্থ হওয়া এবং জনগণের দাবি পূরণ অথবা, সংস্কার করতে ব্যর্থ হওয়া- দেশটির জন্য এখন আর নতুন কিছু নয়। 

নাজুক এ ব্যবস্থার মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। নড়বড়ে অর্থনীতির কাঠামোর মধ্যে দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি ধরে প্রবল ঝাঁকুনি দিয়েছে কোভিড-১৯। ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ হোক না-হোক, লকডাউনের ডামাডোলে লেবাননের অর্থনীতি আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে যখন বহিঃশক্তির সহযোগিতার হাত প্রয়োজন, তখন তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ‘নিজে সহযোগিতা না করা এবং অন্যকে সহযোগিতা করতে না দেওয়া’ বর্তমান আধিপত্যবাদী পশ্চিমাগোষ্ঠীর বিশেষ কৌশল। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা অনেক দেশের মতো লেবাননেও সে ভূমিকাই পালন করছে। গত জুলাই মাসে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ মানবিক ত্রাণবাহী ইরানি জাহাজকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও  তার মিত্রদের চাপে থামিয়ে দেওয়া হয়। 

আরও বিস্তৃতভাবে দেখলে, ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলোর কারণে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বাণিজ্যিক তৎপরতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; যা লেবাননের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমিয়ে দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, দেশটির এমন অবস্থায় শুধু অব্যবস্থাপনার কারণেও যদি লেবাননের এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তাকে নিছক দুর্ঘটনা বলা যায় কিনা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি দেশটির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ‘নিষেধাজ্ঞা’ ও ‘আধিপত্যবাদী আচরণের’ কর্মফল মাত্র। একটি দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপতৎপরতার সফলতা এই দুর্ঘটনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ওয়াশিংটন মূলত এরকম সফলতাই অর্জন করতে চায়। 

এ অবস্থায় সচেতন রাষ্ট্রসহ বিশ্বের সচেতন মানুষ দাবি জানায়, লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবশ্যই মার্কিন হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং লেবানন সরকার ও তার জনগণকে নিজেদের ভাগ্য গঠনের সুযোগ দিতে হবে। অবশ্যই লেবাননকে আরেকটি ‘ক্ষতবিক্ষত সিরিয়া’ হিসেবে দেখতে চাই না আমরা।

মোহাম্মদ তৌহিদ, বিদেশি বিশেষজ্ঞ, চায়না মিডিয়া গ্রুপ, বেইজিং, [email protected]

 

ঘটনাপ্রবাহ : লেবাননে বিস্ফোরণ