দূরপাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ইরান
jugantor
দূরপাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ইরান

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ আগস্ট ২০২০, ১৬:০২:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দূরপাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ইরান

মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রবল চাপের মধ্যেও একটি দূরপাল্লার ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি এমন দাবি করেছেন।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির লাগাম টেনে ধরতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এসবের মধ্যেও থেমে নেই ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি।

টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে হাতামি বলেন, ভূমি থেকে ভূমিতে হামলায় সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি এক হাজার ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার। নাম দেয়া হয়েছে শহীদ কাসেম সোলাইমানি। আর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম রাখা হয়েছে শহীদ আবু মাহদি। এটির পাল্লা এক হাজার কিলোমিটার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ছবি সম্প্রচার করা হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন আল-কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিস।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

২০১৫ সালের তেহরান পরমাণু চুক্তি অনুসারে আগামী অক্টোবরে ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে একতরফাভাবে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর ইরানের অর্থনীতিকে চেপে ধরতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যান তিনি।

ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা পাল্লা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার পর্যন্ত নিতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমাদের বড় সফলতা। আমাদের সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আত্মরক্ষামূলক।

দূরপাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ইরান

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ আগস্ট ২০২০, ০৪:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দূরপাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ইরান
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রবল চাপের মধ্যেও একটি দূরপাল্লার ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি এমন দাবি করেছেন।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির লাগাম টেনে ধরতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এসবের মধ্যেও থেমে নেই ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি।

টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে হাতামি বলেন, ভূমি থেকে ভূমিতে হামলায় সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি এক হাজার ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার। নাম দেয়া হয়েছে শহীদ কাসেম সোলাইমানি। আর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম রাখা হয়েছে শহীদ আবু মাহদি। এটির পাল্লা এক হাজার কিলোমিটার। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ছবি সম্প্রচার করা হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন আল-কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিস।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। 

২০১৫ সালের তেহরান পরমাণু চুক্তি অনুসারে আগামী অক্টোবরে ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে একতরফাভাবে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর ইরানের অর্থনীতিকে চেপে ধরতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যান তিনি।

ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা পাল্লা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার পর্যন্ত নিতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমাদের বড় সফলতা। আমাদের সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আত্মরক্ষামূলক।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-ইরান সংকট