করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ
jugantor
করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ আগস্ট ২০২০, ১৩:৫৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ

করোনা রোগী বাড়তির দিকে থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার বড় শহর সিউলের সব স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সিউলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ কর্মী ও শিক্ষার্থীর দেহে কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হলেও দূরশিক্ষণ কার্যক্রম ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

দেশটিতে শিগগিরই ফের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা যেতে পারে বলে স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ সতর্কও করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহত্তর সিউলের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে অনলাইনে ক্লাস করবে। তবে ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া হাইস্কুলের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে।

শহরটিতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ বসবাস করছেন।

কোরিয়া টাইমস বলছে, শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬০ এর কম এমন স্কুল ও বিশেষায়িত শিক্ষার স্কুলগুলোকে মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা মানবে কি মানবে না সে বিষয়ে তাদেরকেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমতে থাকায় চলতি বছরের ২০ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার বেশিরভাগ স্কুলই খুলে দেয়া হয়েছিল।

করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ আগস্ট ২০২০, ০১:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা বাড়তে থাকায় সিউলের স্কুল-কিন্ডারগার্টেন ফের বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

করোনা রোগী বাড়তির দিকে থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার বড় শহর সিউলের সব স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সিউলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ কর্মী ও শিক্ষার্থীর দেহে কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হলেও দূরশিক্ষণ কার্যক্রম ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। 

দেশটিতে শিগগিরই ফের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা যেতে পারে বলে স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ সতর্কও করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহত্তর সিউলের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে অনলাইনে ক্লাস করবে। তবে ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া হাইস্কুলের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে।

শহরটিতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ বসবাস করছেন।

কোরিয়া টাইমস বলছে, শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬০ এর কম এমন স্কুল ও বিশেষায়িত শিক্ষার স্কুলগুলোকে মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা মানবে কি মানবে না সে বিষয়ে তাদেরকেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমতে থাকায় চলতি বছরের ২০ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার বেশিরভাগ স্কুলই খুলে দেয়া হয়েছিল।  

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস