নরেন্দ্র মোদির বাবার চায়ের দোকান নিয়ে যত প্রশ্ন
jugantor
নরেন্দ্র মোদির বাবার চায়ের দোকান নিয়ে যত প্রশ্ন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ আগস্ট ২০২০, ২২:২০:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

নরেন্দ্র মোদির বাবার চায়ের দোকান নিয়ে যত প্রশ্ন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকানের কোনো তথ্য নেই দেশটির রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন বলছে, অনেক পুরনো ঘটনা এটি এবং রেলের আহমেদাবাদ বিভাগের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।

বিবিসি জানিয়েছে, এর আগেও রেল জানিয়েছিল যে স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে উঠে চা বিক্রি করার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে কোনো তথ্য রেলের কাছে নেই।

কংগ্রেস সমর্থক ও সমাজকর্মী তেহসিন পুণাওয়ালা তথ্য অধিকার আইনে ওই প্রশ্ন করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের একটি রেলস্টেশনে তার বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতেন, একথা তিনি এবং তার দল বহুবার বলেছে।

কিন্তু সেই চায়ের দোকানটি ঠিক কোথায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি মোদি। এ নিয়ে রীতিমতো রহস্যের জট তৈরি হয়েছে।

তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী রেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে দামোদর দাসকে (মোদির বাবার নাম) ওয়াডনগর রেলস্টেশনে চায়ের দোকানের লাইসেন্স কবে দেয়া হয়েছিল এবং সে সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যাবে কি না।

বিবিসির খবর, নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকান নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলেছেন, যে সময়ে মোদি ওয়াডনগরে বড় হয়েছেন, সেই সময়ে ওই স্টেশনটাই ছিল না।

নরেন্দ্র মোদির পারিবারিক বন্ধু এবং গুজরাটের প্রবীণ সাংবাদিক সতীশ মোরি বলেন, রেলের কাছে এই তথ্য না থাকাই স্বাভাবিক, কারণ ওয়াডনগর গ্রামের স্টেশনে ওরকম কোনো দোকানই ছিল না।

তিনি আরও বলেন, যে দোকানটি তার বাবা চালাতেন, সেটি একটি চায়ের ঠেলাগাড়ি আর সেটাও থাকত স্টেশনের বাইরে। পরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে স্টেশনের কাছেই রাস্তার ওপরে একটা ছোট দোকান করেন মোদির বাবা।

নরেন্দ্র মোদির বাবার চায়ের দোকান নিয়ে যত প্রশ্ন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ আগস্ট ২০২০, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নরেন্দ্র মোদির বাবার চায়ের দোকান নিয়ে যত প্রশ্ন
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকানের কোনো তথ্য নেই দেশটির রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে। 

ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন বলছে, অনেক পুরনো ঘটনা এটি এবং রেলের আহমেদাবাদ বিভাগের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।
 
বিবিসি জানিয়েছে, এর আগেও রেল জানিয়েছিল যে স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে উঠে চা বিক্রি করার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে কোনো তথ্য রেলের কাছে নেই।

কংগ্রেস সমর্থক ও সমাজকর্মী তেহসিন পুণাওয়ালা তথ্য অধিকার আইনে ওই প্রশ্ন করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের একটি রেলস্টেশনে তার বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতেন, একথা তিনি এবং তার দল বহুবার বলেছে। 

কিন্তু সেই চায়ের দোকানটি ঠিক কোথায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি মোদি। এ নিয়ে রীতিমতো রহস্যের জট তৈরি হয়েছে। 

তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী রেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে দামোদর দাসকে (মোদির বাবার নাম) ওয়াডনগর রেলস্টেশনে চায়ের দোকানের লাইসেন্স কবে দেয়া হয়েছিল এবং সে সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যাবে কি না।

বিবিসির খবর, নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকান নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলেছেন, যে সময়ে মোদি ওয়াডনগরে বড় হয়েছেন, সেই সময়ে ওই স্টেশনটাই ছিল না।

নরেন্দ্র মোদির পারিবারিক বন্ধু এবং গুজরাটের প্রবীণ সাংবাদিক সতীশ মোরি বলেন, রেলের কাছে এই তথ্য না থাকাই স্বাভাবিক, কারণ ওয়াডনগর গ্রামের স্টেশনে ওরকম কোনো দোকানই ছিল না।

তিনি আরও বলেন, যে দোকানটি তার বাবা চালাতেন, সেটি একটি চায়ের ঠেলাগাড়ি আর সেটাও থাকত স্টেশনের বাইরে। পরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে স্টেশনের কাছেই রাস্তার ওপরে একটা ছোট দোকান করেন মোদির বাবা।