পাকিস্তানে মার্বেল খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ১৯
jugantor
পাকিস্তানে মার্বেল খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ১৯

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৩৮:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তান

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মোহমান্দ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সোমবার মার্বেল পাথরের খনি ধসে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ২৫ জনের মতো নিখোঁজ বয়েছেন বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডন অনলাইন জানিয়েছে, মঙ্গল কয়েকজনের মৃতদেহ ও দুইজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে।

পাথর ভাঙতে শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহারের কারণে ওই অঞ্চলের ভূখণ্ড অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল বলে ধারণা পুলিশের।

নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পাকিস্তানি সেনারা। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ করছেন তারা।

পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের আফগানিস্তান সীমান্তে অবস্থিত খনিটি। ওই এলাকাটি গুনগত সাদা মার্বেল খনির জন্য বিখ্যাত, যা দেশেও বিক্রির পাশাপাশি বিদেশে রফতানি করা হয়।

মোহমান্দ জেলা পুলিশের প্রধান তারিক হাবিব জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ধসের সময় খনিতে কাজ করছিলেন ৪০ থেকে ৫০ জন শ্রমিক। তিনি বলেছেন, ‘সাধারণত এই মার্বেল খনিগুলোতে অসংখ্য শ্রমিক কাজ করে। কিন্তু সৌভাগ্যবশত ওই সময় অধিকাংশ শ্রমিক কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে গিয়েছিল।’

পাকিস্তানে মার্বেল খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ১৯

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাকিস্তান
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মোহমান্দ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সোমবার মার্বেল পাথরের খনি ধসে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ২৫ জনের মতো নিখোঁজ বয়েছেন বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।  

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডন অনলাইন জানিয়েছে, মঙ্গল কয়েকজনের মৃতদেহ ও দুইজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে। 

পাথর ভাঙতে শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহারের কারণে ওই অঞ্চলের ভূখণ্ড অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল বলে ধারণা পুলিশের।

নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পাকিস্তানি সেনারা। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ করছেন তারা।

পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের আফগানিস্তান সীমান্তে অবস্থিত খনিটি। ওই এলাকাটি গুনগত সাদা মার্বেল খনির জন্য বিখ্যাত, যা দেশেও বিক্রির পাশাপাশি বিদেশে রফতানি করা হয়।

মোহমান্দ জেলা পুলিশের প্রধান তারিক হাবিব জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ধসের সময় খনিতে কাজ করছিলেন ৪০ থেকে ৫০ জন শ্রমিক। তিনি বলেছেন, ‘সাধারণত এই মার্বেল খনিগুলোতে অসংখ্য শ্রমিক কাজ করে। কিন্তু সৌভাগ্যবশত ওই সময় অধিকাংশ শ্রমিক কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে গিয়েছিল।’