রোহিঙ্গা গণহত্যা: হেগের আদালত ‘বাংলাদেশে’ স্থানান্তরের অনুরোধ
jugantor
রোহিঙ্গা গণহত্যা: হেগের আদালত ‘বাংলাদেশে’ স্থানান্তরের অনুরোধ

  অনলাইন ডেস্ক  

১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৫৩:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

হেগের আদালত

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইয়াঙ্গুনের বিরুদ্ধে বিচার চলমান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যে শুনানি হবে, সেটি হেগের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে আদালত বসিয়ে করা হয় তার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে।

এই আবেদনটি করেছেন রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করে এমন তিনটি ভিক্টিম সাপোর্ট গ্রুপের আইনজীবীরা। তারা এমন দেশে শুনানির অনুরোধ করেছেন, যেটা নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোনো দেশ হবে। গত মাসে এ আবেদনটি করা হয়েছে।

বিবিসি বাংলা বলছে, এই প্রথম এরকম কোনো উদ্যোগ নেয়া হল, যেখানে ভিক্টিম বা নির্যাতিতদের শুনানির জন্য আদালতকেই অন্য কোনো দেশে বসানোর আবেদন জানানো হয়েছে।

এর আগে রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের দুই সেনা এবং তারা হেগে পৌঁছেগেছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা বলছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমারকে নিয়ে চলমান তদন্তে এ দুটি ঘটনা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসির তিন নম্বর `প্রি ট্রায়াল চেম্বার‌' আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগকে আদেশ দিয়েছে, দ্য হেগ থেকে অন্য কোনো দেশ, যেমন বাংলাদেশে আদালতের কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বরের আগেই এই সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

রোহিঙ্গা গণহত্যা: হেগের আদালত ‘বাংলাদেশে’ স্থানান্তরের অনুরোধ

 অনলাইন ডেস্ক 
১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হেগের আদালত
ছবি: সংগৃহীত

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইয়াঙ্গুনের বিরুদ্ধে বিচার চলমান রয়েছে। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যে শুনানি হবে, সেটি হেগের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে আদালত বসিয়ে করা হয় তার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে। 

এই আবেদনটি করেছেন রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করে এমন তিনটি ভিক্টিম সাপোর্ট গ্রুপের আইনজীবীরা।  তারা এমন দেশে শুনানির অনুরোধ করেছেন, যেটা নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোনো দেশ হবে।  গত মাসে এ আবেদনটি করা হয়েছে। 

বিবিসি বাংলা বলছে, এই প্রথম এরকম কোনো উদ্যোগ নেয়া হল, যেখানে ভিক্টিম বা নির্যাতিতদের শুনানির জন্য আদালতকেই অন্য কোনো দেশে বসানোর আবেদন জানানো হয়েছে।

এর আগে রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের দুই সেনা এবং তারা হেগে পৌঁছেগেছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা বলছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমারকে নিয়ে চলমান তদন্তে এ দুটি ঘটনা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসির তিন নম্বর `প্রি ট্রায়াল চেম্বার‌' আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগকে আদেশ দিয়েছে, দ্য হেগ থেকে অন্য কোনো দেশ, যেমন বাংলাদেশে আদালতের কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বরের আগেই এই সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা