ফিলিস্তিনি পরিবারকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ইসরাইলির যাবজ্জীবন
jugantor
ফিলিস্তিনি পরিবারকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ইসরাইলির যাবজ্জীবন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৪:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

অধিকৃত পশ্চিমতীরে শিশুসন্তানসহ ফিলিস্তিনি এক দম্পতিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে এক ইহুদি তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ইসরাইলের একটি আদালত।

ইসরাইলের লড নগরীর একটি জেলা আদালত সোমবার তাকে দোষীসাব্যস্ত করে ওই রায় দেন। খবর দ্যা হারেৎজের।

২০১৫ সালে পশ্চিমতীরের দুমায় সাদ ও রিহাম দম্পতি এবং তাদের ১৮ মাসের শিশুসন্তান আলি দাওয়াবশেহকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় এই দম্পতির চার বছর বয়সী আরেক ছেলে মারাত্মক দগ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে যায়। যে ঘটনা একপর্যায়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন করে সংঘাত উসকে দিয়েছিল।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আমিরাম বেন-উলিয়েলের বয়স তখন ছিল ২১ বছর। গত মে মাসে আদালত তাকে দোষীসাব্যস্ত করে।

বেন-উলিয়েল প্রথমে আলি দাওয়াবশেহদের বাড়ি এবং দুমার আরেকটি বাড়ির দেয়ালে স্প্রে-পেইন্টিং দিয়ে ‘প্রতিশোধ’ এবং ‘রাজা মসিহ দীর্ঘজীবী হোক’ লেখে এবং তার পর পেট্রলবোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শিন বেত’ এই রায়কে ‘ইহুদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ বলে বর্ণনা করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

যদিও তারা নিজেরাই ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে হত্যা, অগ্নিসন্ত্রাস, নির্যাতন ও বন্দি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত।

ফিলিস্তিনি পরিবারকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ইসরাইলির যাবজ্জীবন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অধিকৃত পশ্চিমতীরে শিশুসন্তানসহ ফিলিস্তিনি এক দম্পতিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে এক ইহুদি তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ইসরাইলের একটি আদালত।

ইসরাইলের লড নগরীর একটি জেলা আদালত সোমবার তাকে দোষীসাব্যস্ত করে ওই রায় দেন। খবর দ্যা হারেৎজের।

২০১৫ সালে পশ্চিমতীরের দুমায় সাদ ও রিহাম দম্পতি এবং তাদের ১৮ মাসের শিশুসন্তান আলি দাওয়াবশেহকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় এই দম্পতির চার বছর বয়সী আরেক ছেলে মারাত্মক দগ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে যায়। যে ঘটনা একপর্যায়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন করে সংঘাত উসকে দিয়েছিল।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আমিরাম বেন-উলিয়েলের বয়স তখন ছিল ২১ বছর। গত মে মাসে আদালত তাকে দোষীসাব্যস্ত করে।

বেন-উলিয়েল প্রথমে আলি দাওয়াবশেহদের বাড়ি এবং দুমার আরেকটি বাড়ির দেয়ালে স্প্রে-পেইন্টিং দিয়ে ‘প্রতিশোধ’ এবং ‘রাজা মসিহ দীর্ঘজীবী হোক’ লেখে এবং তার পর পেট্রলবোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শিন বেত’ এই রায়কে ‘ইহুদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ বলে বর্ণনা করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

যদিও তারা নিজেরাই ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে হত্যা, অগ্নিসন্ত্রাস, নির্যাতন ও বন্দি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত।