ইমরানকে হটাতে ফের একজোট বিরোধীরা, আন্দোলনের ঘোষণা
jugantor
ইমরানকে হটাতে ফের একজোট বিরোধীরা, আন্দোলনের ঘোষণা

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:০০:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ইমরানকে হটাতে ফের একজোট বিরোধীরা, আন্দোলনের ঘোষণা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ ও তার সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে ঐক্যজোট গড়ছে বিরোধী বড় রাজনৈতিক দলগুলো।

রোববার গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকের মাধ্যমে জোটের রুপরেখা চূড়ান্ত করেছে পাকিস্তান পিপল’স পার্টি (পিপিপি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) এবং আরও বেশ কয়েকটি দল।

নতুন এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘অল পার্টিজ কনফারেন্স (এপিসি)। জোটের পক্ষ থেকে ২৬ দফা প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়েছে।

ডন জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমিকভাব গোটা পাকিস্তানজুড়ে তেহরিক ই ইনসাফ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড় তুলবে দলগুলো। ডিসেম্বরে হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের আন্দোলন।

দাবি আদায়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে গোটা দেশ থেকে ইসলামাবাদমুখী বিশাল পদযাত্রার আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববারের বৈঠকে লন্ডন থেকে ভিডিওর মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন পাকিস্তান মুসলিম লীগের নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। বৈঠকে ছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জমিয়ত প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।

বিরোধী দলগুলোর দাবি, ইমরান খান জালিয়াতি করে নির্বাচনে জিতেছেন এবং তাতে সহায়তা করেছিল সেনাবাহিনী। তাই পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনার প্রভাব চলবে না। আনতে হবে নতুন দায়বদ্ধতা আইন। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পাক নির্বাচন ব্যবস্থাকেও সংস্কার করতে হবে।

আইনসভায় বিরোধী জোটের দলগুলো সরকারের সঙ্গে অসহোযিতা নীতি বজায় রাখবে বলে জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত রাজনৈত দলের প্রতিনিধিরা।

ভিডিও বার্তায় নওয়াজ শরিফ বলেন, ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দেশ চালাবে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারাই দেশের অর্থনীতি ঠিক করবে। বিদেশ নীতিও তারা ঠিক করবে।’

নওয়াজ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পদে ইমরান অযোগ্য। তাকে সেনাই প্রধানমন্ত্রী করেছে এবং দেশ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। তাই আমরা আগে সেনার কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতে চাই।’

বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির বক্তব্য, ‘রাজনীতিতে সেনার কোনো ভূমিকা থাকবে না।’

সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির অভিযোগ, ‘বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই যাবতীয় পদক্ষেপ করছে ইমরান প্রশাসন।’


ইমরানকে হটাতে ফের একজোট বিরোধীরা, আন্দোলনের ঘোষণা

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইমরানকে হটাতে ফের একজোট বিরোধীরা, আন্দোলনের ঘোষণা
ছবি: ডন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ ও তার সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে ঐক্যজোট গড়ছে বিরোধী বড় রাজনৈতিক দলগুলো। 

রোববার গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকের মাধ্যমে জোটের রুপরেখা চূড়ান্ত করেছে পাকিস্তান পিপল’স পার্টি (পিপিপি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) এবং আরও বেশ কয়েকটি দল। 

নতুন এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘অল পার্টিজ কনফারেন্স (এপিসি)। জোটের পক্ষ থেকে ২৬ দফা প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়েছে। 

ডন জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমিকভাব গোটা পাকিস্তানজুড়ে তেহরিক ই ইনসাফ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড় তুলবে দলগুলো। ডিসেম্বরে হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের আন্দোলন। 

দাবি আদায়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে গোটা দেশ থেকে ইসলামাবাদমুখী বিশাল পদযাত্রার আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববারের বৈঠকে লন্ডন থেকে ভিডিওর মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন পাকিস্তান মুসলিম লীগের নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। বৈঠকে ছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জমিয়ত প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। 

বিরোধী দলগুলোর দাবি, ইমরান খান জালিয়াতি করে নির্বাচনে জিতেছেন এবং তাতে সহায়তা করেছিল সেনাবাহিনী। তাই পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনার প্রভাব চলবে না। আনতে হবে নতুন দায়বদ্ধতা আইন। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পাক নির্বাচন ব্যবস্থাকেও সংস্কার করতে হবে।

আইনসভায় বিরোধী জোটের দলগুলো সরকারের সঙ্গে অসহোযিতা নীতি বজায় রাখবে বলে জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত রাজনৈত দলের প্রতিনিধিরা। 

ভিডিও বার্তায় নওয়াজ শরিফ বলেন, ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দেশ চালাবে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারাই দেশের অর্থনীতি ঠিক করবে। বিদেশ নীতিও তারা ঠিক করবে।’ 

নওয়াজ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পদে ইমরান অযোগ্য। তাকে সেনাই প্রধানমন্ত্রী করেছে এবং দেশ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। তাই আমরা আগে সেনার কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতে চাই।’ 

বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির বক্তব্য, ‘রাজনীতিতে সেনার কোনো ভূমিকা থাকবে না।’ 

সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির অভিযোগ, ‘বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই যাবতীয় পদক্ষেপ করছে ইমরান প্রশাসন।’