কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের জ্বালাময়ী ভাষণে ক্ষুব্ধ ভারত
jugantor
কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের জ্বালাময়ী ভাষণে ক্ষুব্ধ ভারত

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:৫৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের জ্বালাময়ী ভাষণে ক্ষুব্ধ ভারত

জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে ভারত। তুরস্ককে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো শিখতে বলেছে দেশটি।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৫তম সাধারণ অধিবেশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেয়া ভাষণে এরদোগান বলেন, কাশ্মীর ইস্যু দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির ‘মূল চাবিকাঠি’। এটি এখনো তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয়।
জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্তির পর যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা এ সঙ্কটকে আরও জটিল করবে।

তুরস্ক প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমুর্তি।

টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিরুমূর্তি বলেন, ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মন্তব্য আমাদের চোখে পড়েছে। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। দিল্লি তা কখনোই বরদাশত করবে না।

তিনি বলেন, তুরস্ককে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো শিখতে হবে। তাদের নীতিতে এর প্রতিফলন থাকা দরকার।

মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এরদোগান আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হলে কাশ্মীর সঙ্কটের সমাধান করতে হবে। এটি এখনও একটি জ্বলন্ত সমস্যা।

জাতিসংঘের প্রস্তাব ও কাশ্মীরের মানুষের প্রত্যাশা মেনে এই সঙ্কটের সমাধান করতে বলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

গত এক বছর ধরে পাকিস্তানের বন্ধু দেশ তুরস্ক আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলছে। বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছে না ভারত। সপ্তাহখানেক আগেই তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ওআইসির নিন্দা করেছিল ভারত।

কারণ, তারা মানবাধিকার কাউন্সিলে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলেছিল। দিল্লির দাবি, আঙ্কারা যেন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য না করে।

কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের জ্বালাময়ী ভাষণে ক্ষুব্ধ ভারত

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের জ্বালাময়ী ভাষণে ক্ষুব্ধ ভারত
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে ভারত। তুরস্ককে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো শিখতে বলেছে দেশটি। 

মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৫তম সাধারণ অধিবেশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেয়া ভাষণে এরদোগান বলেন, কাশ্মীর ইস্যু দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির ‘মূল চাবিকাঠি’। এটি এখনো তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয়। 
জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্তির পর যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা এ সঙ্কটকে আরও জটিল করবে।

তুরস্ক প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমুর্তি।

টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিরুমূর্তি বলেন, ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মন্তব্য আমাদের চোখে পড়েছে। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। দিল্লি তা কখনোই বরদাশত করবে না।

তিনি বলেন, তুরস্ককে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো শিখতে হবে। তাদের নীতিতে এর প্রতিফলন থাকা দরকার।

মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এরদোগান আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হলে কাশ্মীর সঙ্কটের সমাধান করতে হবে। এটি এখনও একটি জ্বলন্ত সমস্যা। 

জাতিসংঘের প্রস্তাব ও কাশ্মীরের মানুষের প্রত্যাশা মেনে এই সঙ্কটের সমাধান করতে বলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

গত এক বছর ধরে পাকিস্তানের বন্ধু দেশ তুরস্ক আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলছে। বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছে না ভারত। সপ্তাহখানেক আগেই তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ওআইসির নিন্দা করেছিল ভারত। 

কারণ, তারা মানবাধিকার কাউন্সিলে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলেছিল। দিল্লির দাবি, আঙ্কারা যেন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য না করে।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট