হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ নিয়ে যা বলল চীন
jugantor
হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ নিয়ে যা বলল চীন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৪৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ নিয়ে যা বলল চীন

জিনজিয়াংয়ে ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ আছে, যা অনেক মুসলমান প্রধান দেশেও নেই বলে দাবি করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অস্ট্রেলিয়ার একটি থিংক-ট্যাঙ্ক থেকে জিনজিয়াংয়ে হাজারো মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ তোলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি করেছে।

‘অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউট’ (এএসপিআই) বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সরকারের কৌশলের অংশ হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে শিনজিয়াংয়ে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ সম্পূর্ণ বা আংশিক ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ওই প্রতিবেদন ‘কলঙ্কজনক গুজব ছাড়া আর কিছুই না’।

তিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রগুলো চীনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানোর অভিসন্ধি করেছে। এএসপিআই বিদেশ থেকে তহবিল পেতে ওই মিথ্যাকে সমর্থন দিয়েছে।

এএসপিআই-র প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রচারের মাধ্যমে ‘শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরায় লিখতে চাইছে। তারা আদিবাসীদের ওই সব সাংস্কৃতিক প্রথা ‘চীনা জাতির’ অধীনে বানিয়ে ফেলতে চাইছে।

হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ নিয়ে যা বলল চীন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ নিয়ে যা বলল চীন
ছবি: এএফপি

জিনজিয়াংয়ে ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ আছে, যা অনেক মুসলমান প্রধান দেশেও নেই বলে দাবি করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

অস্ট্রেলিয়ার একটি থিংক-ট্যাঙ্ক থেকে জিনজিয়াংয়ে হাজারো মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ তোলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি করেছে। 

‘অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউট’ (এএসপিআই) বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সরকারের কৌশলের অংশ হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে শিনজিয়াংয়ে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ সম্পূর্ণ বা আংশিক ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ওই প্রতিবেদন ‘কলঙ্কজনক গুজব ছাড়া আর কিছুই না’।

তিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রগুলো চীনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানোর অভিসন্ধি করেছে। এএসপিআই বিদেশ থেকে তহবিল পেতে ওই মিথ্যাকে সমর্থন দিয়েছে।

এএসপিআই-র প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রচারের মাধ্যমে ‘শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরায় লিখতে চাইছে। তারা আদিবাসীদের ওই সব সাংস্কৃতিক প্রথা ‘চীনা জাতির’ অধীনে বানিয়ে ফেলতে চাইছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : চীনে উইঘুর নির্যাতন