আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘর্ষে মর্টার এসে পড়ছে ইরানে
jugantor
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘর্ষে মর্টার এসে পড়ছে ইরানে

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের উত্তরের দুই প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।

একে অপরের অবস্থানে গুলি ও মর্টার নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় তিনটি মর্টার এসে পড়েছে ইরান ভূখণ্ডে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেশী দেশ দুটির এ লড়াইয়ে কমপক্ষে ৮০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সীমান্তবর্তী ‘খোদা অফারিন’ জেলায় এসব মর্টার এসে পড়েছে বলে সেখানকার গভর্নর আলী আমিরি রাদ সোমবার নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তিনটি মর্টারের মধ্যে দুটি কৃষি খামারে পড়ে বিস্ফোরিত হয়েছে। সৌভাগ্যের বিষয় এতে কেউ হতাহত হয়নি এবং কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতিও হয়নি।

অপর মর্টারটি পড়েছে এ জেলারই উঁচু তৃণভূমিতে। তৃতীয় মর্টারটি বিস্ফোরিত হয়নি। কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রোববার সকাল থেকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে নতুন করে সীমান্ত সংঘাত শুরু হওয়ার পর পরই ওই দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।

তিনি আর্মেনিয়া ও আজারবাইজনকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় দুই দেশকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৮০’র দশকের শেষ দিকে কারাবাখ অঞ্চলে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে।

১৯৯৪ সালে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এ সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।

কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভেতরে হলেও আর্মেনিয়ার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছেন আর্মেনীয় বংশোদ্ভূতরা।

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘর্ষে মর্টার এসে পড়ছে ইরানে

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের উত্তরের দুই প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।

একে অপরের অবস্থানে গুলি ও মর্টার নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় তিনটি মর্টার এসে পড়েছে ইরান ভূখণ্ডে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেশী দেশ দুটির এ লড়াইয়ে কমপক্ষে ৮০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সীমান্তবর্তী ‘খোদা অফারিন’ জেলায় এসব মর্টার এসে পড়েছে বলে সেখানকার গভর্নর আলী আমিরি রাদ সোমবার নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তিনটি মর্টারের মধ্যে দুটি কৃষি খামারে পড়ে বিস্ফোরিত হয়েছে। সৌভাগ্যের বিষয় এতে কেউ হতাহত হয়নি এবং কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতিও হয়নি।

অপর মর্টারটি পড়েছে এ জেলারই উঁচু তৃণভূমিতে। তৃতীয় মর্টারটি বিস্ফোরিত হয়নি। কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রোববার সকাল থেকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে নতুন করে সীমান্ত সংঘাত শুরু হওয়ার পর পরই ওই দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।

তিনি আর্মেনিয়া ও আজারবাইজনকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় দুই দেশকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৮০’র দশকের শেষ দিকে কারাবাখ অঞ্চলে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে।

১৯৯৪ সালে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এ সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।

কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভেতরে হলেও আর্মেনিয়ার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছেন আর্মেনীয় বংশোদ্ভূতরা।