কানাডার বিভিন্ন সিটিতে বার-রেস্তোরাঁ বন্ধ ঘোষণা
jugantor
কানাডার বিভিন্ন সিটিতে বার-রেস্তোরাঁ বন্ধ ঘোষণা

  রাজীব আহসান, কানাডা থেকে  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:০৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাওয়ায় কানাডার কুইবেক প্রদেশে রেডঅ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

ফলে এখানকার বিভিন্ন শহরের বার, রেস্তোরাঁ, থিয়েটার এবং জাদুঘরগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে পরবর্তী ২৮ দিনের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে বার, রেস্তোরাঁ ও ক্যাসিনো বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হবে প্রেক্ষাগৃহ, সিনেমা থিয়েটার, অভ্যর্থনা কক্ষ, বনভোজন, শোরুম, জাদুঘর এবং গ্রন্থাগারগুলোও।

তবে ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেয়া হবে। লোক সমাগম এড়াতে জনসাধারণকে অন্যদের বাড়িতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এত সতর্কতার পরও কুইবেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ার ফলে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

এ ছাড়া কানাডার অন্টারিও, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এবং আলবার্টা প্রদেশেও প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রদেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মুখে মাস্ক ব্যবহার করারও আহ্বান জানিয়েছেন।

উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসানের মতে- কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে কোভিড রোধের বিধিনিষেধগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।

প্রয়োজনে আবারও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কানাডার সরকার।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০১ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯ হাজার ২৭৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১লাখ ৩২ হাজার ৬০৭ জন।

কানাডার বিভিন্ন সিটিতে বার-রেস্তোরাঁ বন্ধ ঘোষণা

 রাজীব আহসান, কানাডা থেকে 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাওয়ায় কানাডার কুইবেক প্রদেশে রেডঅ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

ফলে এখানকার বিভিন্ন শহরের বার, রেস্তোরাঁ, থিয়েটার এবং জাদুঘরগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে পরবর্তী ২৮ দিনের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে বার, রেস্তোরাঁ ও ক্যাসিনো বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হবে প্রেক্ষাগৃহ, সিনেমা থিয়েটার, অভ্যর্থনা কক্ষ, বনভোজন, শোরুম, জাদুঘর এবং গ্রন্থাগারগুলোও।

তবে ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেয়া হবে। লোক সমাগম এড়াতে জনসাধারণকে অন্যদের বাড়িতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এত সতর্কতার পরও কুইবেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ার ফলে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

এ ছাড়া কানাডার অন্টারিও, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এবং আলবার্টা প্রদেশেও প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রদেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মুখে মাস্ক ব্যবহার করারও আহ্বান জানিয়েছেন।

উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসানের মতে- কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে কোভিড রোধের বিধিনিষেধগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।

প্রয়োজনে আবারও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কানাডার সরকার।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০১ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯ হাজার ২৭৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১লাখ ৩২ হাজার ৬০৭ জন।