মেহবুবাকে আর কতদিন আটকে রাখা হবে- জানতে চান আদালত
jugantor
মেহবুবাকে আর কতদিন আটকে রাখা হবে- জানতে চান আদালত

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৯:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের সুপ্রিমকোর্ট জানতে চেয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিকে আর কতদিন আটকে রাখা হবে।

মেহবুবা মুফতিকে আটকে রাখার বিরুদ্ধে এক আবেদনের শুনানিতে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে ওই প্রশ্ন করেছে। আগামী ১৫ অক্টোবর ওই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সুবিধাসংবলিত ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে মেহবুবা মুফতিকে বন্দি রাখা হয়েছে।

মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি তার মায়ের মুক্তির জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। মাকে বেআইনিভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে ইলতিজার অভিযোগ।

আদালতের সামনে মেহবুবাকে পেশ করে যাতে তার বন্দিদশা নিয়ে বিচার শুরু করা যায়, সে জন্য শীর্ষ আদালতে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন জমা দিয়েছিলেন ইলতিজা।

ইলতিজা সুপ্রিমকোর্টে তার মাকে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, তার মা একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি। সুতরাং তার দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেয়া উচিত। তাকে জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও যোগাযোগের অনুমতি দেয়া উচিত।

ইলতিজা তার আবেদনে বলেন, সুপ্রিমকোর্ট জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনকে নির্দেশ দিন যেন মেহবুবা মুফতিকে তার পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়দের সঙ্গে সপ্তাহে ৫ দিন সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেয়া হয়।

এ ছাড়া তার বাড়ির টেলিফোনটি চালু করার আবেদন জানান। তার আটকের জন্য জারি করা আদেশ অসাংবিধানিক এবং ভিত্তিহীন বলেও ইলতিজা মুফতি দাবি করেছেন।

বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কৌল ও বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের সমন্বিত বেঞ্চে মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানি হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে আদালত বলে, কাউকে চিরকাল আটকে রাখা যায় না।

সরকারের কাছে জানতে চাই, ঠিক কতদিন পর্যন্ত এই বন্দিদশা চলতে পারে। সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত একজনকে আটকে রাখা যায় এবং এ ক্ষেত্রে ঠিক কতদিন এই বন্দিদশা চালিয়ে যেতে চান আপনারা।

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে উপস্থিত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, কাশ্মীরে অশান্তির ইতিহাস রয়েছে। মেহবুবা শান্তি নষ্ট করতে পারেন, তাই তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

বিচারপতি পাল্টা মন্তব্যে বলেন, রাজ্যটির ইতিহাস খুবই সুন্দর। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তের পর্যায়েই আপনারা আটক করে রাখার সর্বোচ্চ সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। কারোর আর কী বলার থাকতে পারে?

উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীর পাবলিক সিকিউরিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী যে কোনো মানুষকে বিনাবিচারে দুই বছর পর্যন্ত বন্দি রাখতে পারে।

মেহবুবাকে আর কতদিন আটকে রাখা হবে- জানতে চান আদালত

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের সুপ্রিমকোর্ট জানতে চেয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিকে আর কতদিন আটকে রাখা হবে।

মেহবুবা মুফতিকে আটকে রাখার বিরুদ্ধে এক আবেদনের শুনানিতে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে ওই প্রশ্ন করেছে। আগামী ১৫ অক্টোবর ওই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সুবিধাসংবলিত ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে মেহবুবা মুফতিকে বন্দি রাখা হয়েছে।

মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি তার মায়ের মুক্তির জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। মাকে বেআইনিভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে ইলতিজার অভিযোগ।

আদালতের সামনে মেহবুবাকে পেশ করে যাতে তার বন্দিদশা নিয়ে বিচার শুরু করা যায়, সে জন্য শীর্ষ আদালতে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন জমা দিয়েছিলেন ইলতিজা।

ইলতিজা সুপ্রিমকোর্টে তার মাকে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, তার মা একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি। সুতরাং তার দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেয়া উচিত। তাকে জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও যোগাযোগের অনুমতি দেয়া উচিত।

ইলতিজা তার আবেদনে বলেন, সুপ্রিমকোর্ট জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনকে নির্দেশ দিন যেন মেহবুবা মুফতিকে তার পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়দের সঙ্গে সপ্তাহে ৫ দিন সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেয়া হয়।

এ ছাড়া তার বাড়ির টেলিফোনটি চালু করার আবেদন জানান। তার আটকের জন্য জারি করা আদেশ অসাংবিধানিক এবং ভিত্তিহীন বলেও ইলতিজা মুফতি দাবি করেছেন।

বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কৌল ও বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের সমন্বিত বেঞ্চে মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানি হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে আদালত বলে, কাউকে চিরকাল আটকে রাখা যায় না।

সরকারের কাছে জানতে চাই, ঠিক কতদিন পর্যন্ত এই বন্দিদশা চলতে পারে। সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত একজনকে আটকে রাখা যায় এবং এ ক্ষেত্রে ঠিক কতদিন এই বন্দিদশা চালিয়ে যেতে চান আপনারা।

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে উপস্থিত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, কাশ্মীরে অশান্তির ইতিহাস রয়েছে। মেহবুবা শান্তি নষ্ট করতে পারেন, তাই তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

বিচারপতি পাল্টা মন্তব্যে বলেন, রাজ্যটির ইতিহাস খুবই সুন্দর। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তের পর্যায়েই আপনারা আটক করে রাখার সর্বোচ্চ সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। কারোর আর কী বলার থাকতে পারে?

উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীর পাবলিক সিকিউরিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী যে কোনো মানুষকে বিনাবিচারে দুই বছর পর্যন্ত বন্দি রাখতে পারে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বিতর্ক