যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ডব্লিউএইচও'র কর্মীদের বিরুদ্ধে
jugantor
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ডব্লিউএইচও'র কর্মীদের বিরুদ্ধে

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

৫০ জনেরও বেশি নারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে কঙ্গোতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে।

নিউ হিউম্যানিটারিয়ান ও থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক বছরব্যাপী তদন্তে ৫১ জন নারী সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইবোলা সংকটের সময় তারা কর্মীদের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এ খবর জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

নিপীড়নের শিকার ওই নারীদের সবাই আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর অধিবাসী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত করছে তারা।

নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীরা বলেছেন, পুরুষ কর্মীরা তাদের পানীয় পান করিয়ে বা চাকরির বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করত। যদি তারা প্রত্যাখ্যান করত তবে চাকরি থেকে বাদ দেয়ার হুমকি দিত। কাউকে হোটেল রুমে আটকে রাখা হত বা অফিস ও হাসপাতালের রুমেই নির্যাতন করা হত। এই নারীরা চুক্তিভিত্তিক রাধুনি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা সহায়ক হিসেবে নিয়োগ পেতেন।

নিপীড়নের শিকার হওয়াদের মধ্যে ইবোলা থেকে সেরে ওঠা এক নারীও ছিলেন। মনস্তাত্ত্বিক সহযোগিতা চেয়ে ওই আন্তর্জাতিক কর্মীদের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। অভিযুক্তদের কেউ কেউ বেলজিয়াম, বুরকিনা ফাসো, কানাডা, ফ্রান্স, গিনি-কোনাক্রি ও আইভরি কোস্টের অধিবাসী। তাদের অনেকে জন্ম প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিতে চাইতেন না। দুইজন নারী বলেছেন, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের দ্বারা গর্ভধারণ করেছেন।

এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।এই তদন্তে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ), মেডেকিন্স সান্স ফ্রন্টিয়ার্স, অক্সফাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্থা আইওএম, চিকিৎসা দাতব্য সংস্থা আলিমা এবং কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়য়ের সদস্যদের অপব্যবহার চিহ্নিত করা হয়েছে।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ডব্লিউএইচও'র কর্মীদের বিরুদ্ধে

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ছবি: সংগৃহীত

৫০ জনেরও বেশি নারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে কঙ্গোতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে।

নিউ হিউম্যানিটারিয়ান ও থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক বছরব্যাপী তদন্তে ৫১ জন নারী সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইবোলা সংকটের সময় তারা কর্মীদের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এ খবর জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

নিপীড়নের শিকার ওই নারীদের সবাই আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর অধিবাসী।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত করছে তারা।

নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীরা বলেছেন, পুরুষ কর্মীরা তাদের পানীয় পান করিয়ে বা চাকরির বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করত। যদি তারা প্রত্যাখ্যান করত তবে চাকরি থেকে বাদ দেয়ার হুমকি দিত। কাউকে হোটেল রুমে আটকে রাখা হত বা অফিস ও হাসপাতালের রুমেই নির্যাতন করা হত। এই নারীরা চুক্তিভিত্তিক রাধুনি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা সহায়ক হিসেবে নিয়োগ পেতেন। 

নিপীড়নের শিকার হওয়াদের মধ্যে ইবোলা থেকে সেরে ওঠা এক নারীও ছিলেন। মনস্তাত্ত্বিক সহযোগিতা চেয়ে ওই আন্তর্জাতিক কর্মীদের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। অভিযুক্তদের কেউ কেউ বেলজিয়াম, বুরকিনা ফাসো, কানাডা, ফ্রান্স, গিনি-কোনাক্রি ও আইভরি কোস্টের অধিবাসী। তাদের অনেকে জন্ম প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিতে চাইতেন না। দুইজন নারী বলেছেন, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  কর্মীদের দ্বারা গর্ভধারণ করেছেন।

এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।এই তদন্তে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ), মেডেকিন্স সান্স ফ্রন্টিয়ার্স, অক্সফাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্থা আইওএম, চিকিৎসা দাতব্য সংস্থা আলিমা এবং কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়য়ের সদস্যদের অপব্যবহার চিহ্নিত করা হয়েছে।